বাংলা শব্দগঠনের উপায় বর্ণনা এবং মমতাদি গল্প থেকে সাধিত শব্দ বিশ্লেষণ-এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর/সমাধান বাংলা ২য় পত্র -৮ম সপ্তাহ (এসাইনমেন্ট ৩) -২০২২ সালের এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর

 

       
       
           

    এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর/সমাধান বাংলা ২য় পত্র ৮ম সপ্তাহ (এসাইনমেন্ট ৩) 

    ২০২২ সালের এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর 

    এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ২০২২

    শিরোনাম 

    বাংলা শব্দগঠনের উপায় বর্ণনা এবং  মমতাদি গল্প থেকে  সাধিত শব্দ বিশ্লেষণ

    উপসর্গ যােগে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় কিছু বদ্ধরূপমূল তথা শব্দাংশ রয়েছে যারা ধাতু বা প্রাতিপদিকের পূর্বে বসে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন , পরিবর্ধন কিংবা সংকোচন সাধন করতে পারে । এদের উপসর্গ বলা হয় । এদের অর্থবাচকতা না থাকলেও অর্থদ্যোতকতা রয়েছে । অর্থাৎ , এরা নিজেরা স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম না হলেও অন্য কোনাে ভাষিক উপাদানের সঙ্গে বসে এরা অর্থের নানাবিধ রূপান্তর ঘটাতে পারে । শব্দের শুরুতে যােগ হয়ে এটি নতুন শব্দ তৈরি করতে পারে , অর্থের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারে , অর্থের সংকোচন ঘটাতে পারে এবং কখনও কখনও পুরাে অর্থটিই পাল্টে দিতে পারে । যেমন , ‘ অপ ’ একটি উপসর্গ , যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত না হলেও সাধারণত কোনাে ক্ষতিকারক কিছুর দ্যোতনা তৈরি করে । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে , এটি যখন কার' এর আগে বসে তখন অর্থের সংকোচন ঘটিয়ে নতুন শব্দ ‘ অপকার ’ তৈরি করে । আবার এটি যখন ‘ রূপ ' এর আগে বসছে তখন একদিকে ‘ অপ ’ অংশটির সাধারণ যে অর্থদ্যোতনা তা পাল্টে গিয়ে ‘ অপরূপ শব্দ তৈরির মধ্য দিয়ে রূপ ’ শব্দটির অর্থের প্রসারণ ঘটাচ্ছে । অপর একটি উপসর্গ ‘ অ বিভিন্ন শব্দ যেমন ভাব ’ এর আগে বসে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বিশিষ্ট অভাব তৈরি করছে । অর্থাৎ , এখানে উপসর্গ শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে ।

    প্রত্যয় যােগে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় ধাতু কিংবা প্রাতিপদিকের পরে বিভিন্ন বদ্ধরূপমূল যুক্ত হয় । এই বদ্ধরূপমূলগুলােকে প্রত্যয় নামে অভিহিত করা হয় । গঠন অনুসারে দুই রকমের প্রত্যয় বাংলা ভাষায় রয়েছে । এগুলাে হলাে : কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয় । কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতুর সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় প্রাতিপদিকের সঙ্গে । উল্লেখ্য যে , | ক্রিয়াশব্দের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়াপ্রকৃতি । অপরদিকে , বিভক্তিবিহীন নামশব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক বা নামপ্রকৃতি । অর্থাৎ , ক্রিয়া কিংবা নামশব্দের মূল অংশকে ১ সাধারণভাবে প্রকৃতি বলা হয় । এই সকল মূল অংশের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার শর্তেই এদের প্রকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে । প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সামর্থ্য রয়েছে এমন প্রকৃতি তথা ধাতু এবং প্রাতিপদিক উভয়ই অবিভাজ্য রূপমূল হয় এবং এদের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় । উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে , মুক্তরূপমূল ‘ শােন একটি ধাতু এবং এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বদ্ধরূপমূল তথা প্রত্যয় আ ' । এর ফলে , নতুন শব্দ গঠিত হবে ‘ শােনা ' । আবার মুক্তরূপমূল ‘ ঘর ’ একটি প্রাতিপদিক এবং এর সঙ্গে ‘ আমি ’ প্রত্যয় তথা বদ্ধরূপমূল যুক্ত হয়ে তৈরি হতে পারে নতুন শব্দ ঘরামি । এভাবে প্রকৃতি এবং প্রত্যয় যােগে বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ গঠিত হয় । বাংলা ব্যাকরণে ধাতু চিহ্নিত করার জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক চিহ্ন ( √ ) ব্যবহৃত হয় ।
    অর্থাৎ বল্ মানে বল্ ধাতু । অর্থাৎ , বাংলা ভাষায় প্রকৃতি দুই প্রকার : নামপ্রকৃতি ও ক্রিয়াপ্রকৃতি ।

    নামপ্রকৃতির কয়েকটি উদাহরণ হলাে : লাজ , বড় , ঘর প্রভৃতি । অপরদিকে , ক্রিয়াপ্রকৃতির কয়েকটি উদাহরণ হলাে- পড়ু , নাছ , || জিত্ প্রভৃতি । একইভাবে , গঠন অনুসারে বাংলা ভাষায় প্রত্যয় দুই প্রকার : কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয় । কৃৎ প্রত্যয়ের কয়েকটি উদাহরণ হলাে : -উক , -আই , - আমি এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের কয়েকটি উদাহরণ হলাে : -উয়া , -উনে এবং -আ ।

    সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় সমাস মূলত এক ধরনের যৌগিকীকরণ । অর্থাৎ , এর সাহায্যে একাধিক শব্দ মিলিত হয়ে যৌগিক শব্দ তৈরি হয় । বলা চলে যে , বাগর্থগত সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক শব্দে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলাে সমাস । এর সাহায্যে ভাষাকে সংহত ও সংক্ষেপিত করা সম্ভব হয় । ভাষার ব্যবহারিক মাধুর্য বৃদ্ধি পায় । সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু পরিভাষা হলাে ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , সমস্যমান পদ , পূর্বপদ এবং পরপদ । নিচের একটি উদাহরণ এই পরিভাষাসমূহের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম । বিদ্যালয় একটি সমাসবদ্ধ শব্দ । অর্থাৎ , এই সমাসের সমস্তপদটি হলাে ‘ বিদ্যালয় ' ; আর এর ব্যাসবাক্য হলাে : ‘ বিদ্যার আলয় । এখানে সমস্যমান  পদগুলাে হলাে : বিদ্যা , আলয় এবং ষষ্ঠী বিভক্তি র ' । এই সমাসের পূর্বপদ হলাে বিদ্যা এবং পরপদ হলাে আলয় । সমাস হলাে শব্দগঠনের প্রক্রিয়া । আর তাই একই শব্দ কখনও কখনও একাধিক প্রক্রিয়ায় সমাসনিষ্পন্ন হতে পারে । এ কারণে ব্যাসবাক্য অনুসারেই সমাস নির্ণয়ের প্রয়ােজন হয় । বাংলা ভাষায় প্রধাণত ছয় প্রকারের সমাস রয়েছে । এগুলাে হলাে : দ্বন্দ্ব , কর্মধারয় , তৎপুরুষ , বহুব্রীহি , দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব । এছাড়া কিছু অপ্রধান সমাসও রয়েছে । যেমন : প্রাদি , নিত্য , সুপসুপা প্রভৃতি । পূর্বপদ কিংবা পরপদের প্রাধান্যের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত সমাস নির্ণয় করা হয়ে থাকে ।


    বাংলা শব্দগঠনের উপায় বর্ণনা এবং  মমতাদি গল্প থেকে  সাধিত শব্দ বিশ্লেষণ-এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর/সমাধান বাংলা ২য় পত্র -৮ম সপ্তাহ (এসাইনমেন্ট ৩) -২০২২ সালের এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর

    বাংলা শব্দগঠনের উপায় বর্ণনা এবং  মমতাদি গল্প থেকে  সাধিত শব্দ বিশ্লেষণ-এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর/সমাধান বাংলা ২য় পত্র -৮ম সপ্তাহ (এসাইনমেন্ট ৩) -২০২২ সালের এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর


    Tag:বাংলা শব্দগঠনের উপায় বর্ণনা এবং  মমতাদি গল্প থেকে  সাধিত শব্দ বিশ্লেষণ-এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর/সমাধান বাংলা ২য় পত্র -৮ম সপ্তাহ (এসাইনমেন্ট ৩) -২০২২ সালের এসএসসি ৮ম সপ্তাহের বাংলা ২য় পত্র এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর 

    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন