অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্রিম | মুখের অবাঞ্ছিত লোম চিরতরে দূর করার ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতি | মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ওষুধ

অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্রিম | মুখের অবাঞ্ছিত লোম চিরতরে দূর করার ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতি | মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ওষুধ


সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আজকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি। সেটা হলো মুখের অবাঞ্ছিত লোম কিভাবে দূর করবেন এং মুখের অবাঞ্ছিত লোম চিরতরে দূর করার ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতি -মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ওষুধ নিয়ে আজকের আমাদের এই আর্টিকেল।

 অবাঞ্ছিত লোম বলতে কি বুঝায়

অবাঞ্ছিত লোমঃ- বন্ধুরা অবাঞ্ছিত বলতে কি বুঝায়? অবাঞ্ছিত লোমকে হারসুটিজম বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে এন্ড্রোজেন বা পুরুষ হরমোনের পরিমাণ খুব অল্প। কিন্তু কখনও ডিম্বাশয় বা এডরেনাল গ্রন্থি থেকে এই এন্ড্রোজেন বেশি পরিমাণে তৈরি হলে বা এন্ড্রোজেনের অধিক কার্যকারিতার কারণে এই 'হারসুটিজম' দেখা দিতে পারে।

বন্ধুরা এই অবাঞ্ছিত লোম মেয়েদের ঠোঁটের উপর, গালের মধ্যে,বুকের উপর,পিঠের মধ্যে ছেলেদের মত ঘন ঘন কালো কালো লোম দেখা দেয়। এটাকে অবাঞ্ছিত লোম 'হারসুটিজম ' বলা হয়।


   
       

    অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্রিম

    বন্ধুরা অবাঞ্ছিত লোম দেখা দিলে আপনাকে ফার্মেসী থেকে অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্রিম ব্যবহার না করে আগে আপনাকে ভালো একজন হরমোন চিকিৎসক এর কাছে যেতে হবে। ভালো করে হরমোন চিকিৎসা করে আপনার রোগ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।রোগ নির্ণয়ের পর উপসর্গ অনুযায়ী পুষ্টিবিদ, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, ত্বক বিশেষঞ্জের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

     মুখের অবাঞ্ছিত লোম চিরতরে দূর করার ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতি 

    মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার নিছু পদ্ধতি ও চিকিৎসা নিম্নে তুলে ধরা হলো যা- কনসালট্যান্ট, অবস গাইসি বিভাগ, বিআরবি হাসপাতাল এর লেখক যুগান্তর পত্রিকায় উল্লেখ করে ছিলেন।

    1.  নিয়মিত হাঁটা, ওজন কমানো, উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিহার ও টেনশনমুক্ত জীবনযাপন করতে হবে।
    2.  যার এন্ড্রোজেন হরমোন বেশি আছে, তাদের সিপ্রোটেরন এসিটেট ও স্পাইরোনোলেকটন জাতীয় ওষুধ ভালো কাজ করবে।
    3. মেটফরমিন জাতীয় ওষুধ ইনসুলিনকে কাজ করতে সাহায্য করে ও ওজন কমায়।
    4.  থাইরয়েড বা প্রোলেকটিন হরমোনের ওষুধ খেতে হতে পারে প্রয়োজনবোধে। 
    5. ভিটামিন ডি ও ইনোসিটোলের ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করতে হবে।
    6. সুষম খাবার, ব্যায়াম, সঠিক ওজন অর্জন করা এবং ধরে রাখা চিকিৎসার মূল ভিত্তি।
    7. ভিটামিন ডি ব্যবহারেও সুফল পাওয়া যায়।
    8. লোম কমানোর জন্য অন্যান্য চিকিৎসা, যেমন লেজার থেরাপি, মলম ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। 
    9. ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, চর্বির অস্বাভাবিকতা থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে। সময়মতো বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা করা হলে সে ক্ষেত্রেও সুফল পাওয়া যায়।

    মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতি 

    • ওয়াক্স করা- লেবু ও চিনি এক সঙ্গে ফুটিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করে ঘরেই ওয়াক্স বানানো যায় । তবে ভালো মতো খেয়াল করতে হবে যেন এতে কোনো দানা না থাকে । 

     

    • এরপর ওয়াক্সটি লোমের দিক অনুযায়ী লাগিয়ে একটা কাপড়ের সাহায্যে চাপ প্রয়োগ করে টান দিয়ে ওঠাতে হবে । 
    • হলুদ ও দুধের মিশ্রণ- এক ভাগ দুধ ও তিন ভাগ হলুদ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন । প্যাক মুখে মেখে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । এরপর লোম আছে এমন স্থান যেমন- ঠোঁটের উপরের অংশ আলতোভাবে মালিশ করে লোম তুলে ফেলুন । নিয়মিত ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে অবাঞ্ছিত লোম দূর হবে । 

     

    •  দই ও বেসন -দই ও বেসনের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন । মিশ্রণটি ত্বকে মেখে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । এরপর লোম আছে এমন অংশে হালকাভাবে ঘষে লোম তুলে নিন । পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । 


    মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ওষুধ

    নোটঃ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিম গুলো ব্যবহার করবেন।

    Tag:অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্রিম, মুখের অবাঞ্ছিত লোম চিরতরে দূর করার ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতি, মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ওষুধ

                                                           
    Previous Post Next Post

      আপনার নামের অর্থ জানতে ক্লিক করুন


    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন