সিভি (cv) লেখার নিয়ম (ইংরেজিতে ও বাংলায়) | পরীক্ষায় cv লেখার নিয়ম | সিভি লেখার নিয়ম pdf

আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক পাঠিকা সবাই কেমন আছেন। আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। প্রিয় পাঠকবৃন্ধ আজকে আমরা তোমাদের সিভি (cv) লেখার নিয়ম (ইংরেজিতে ও বাংলায়) -পরীক্ষায় cv লেখার নিয়ম - সিভি লেখার নিয়ম pdf শেয়ার করবো। আসা করি তোমরা যারা সিভি (cv) লেখার নিয়ম (ইংরেজিতে ও বাংলায়)- পরীক্ষায় cv লেখার নিয়ম -সিভি লেখার নিয়ম pdf জানতে চাচ্ছেন আজকের পোস্টটি তোমাদের জন্য উপকারী হবে।


CV-সিভি - কলেজ জীবন থেকে নিয়ে বা চাকরি লাইফ পর্যন্ত সিভি বা জীবনের বায়োডাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে চাকরির ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ব বেশি। বন্ধুরা বাংলাদেশে চাকরির খাত চাকরী পাত্রী থেকে অনেক কম। তাই আপনাকে অবশ্যই সব সময় মান সম্মত ভাবে সব কিছুতে আগাতে হবে। আর চাকরির ক্ষেত্রে একটা মান সম্মত সিভি অনেকটা আগাবে।

       
       

    সিভি (CV) কি

    সিভি কি:-সিভি ( CV ) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Curriculum Vitae . আসলে সিভি হচ্ছে ২/৩ পাতার একটি সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত যেখানে একজন লোকের নাম , ঠিকানা , শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার মূল অংশসহ আরো কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় উল্লেখ থাকে । তবে চাকরির ইন্টারভিউ এর পাশাপাশি একাডেমিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও সিভি’র এর ব্যবহার রয়েছে । অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিভি ইংরেজিতে লেখা হয়ে থাকে । তবে বর্তমানে কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় লেখা হচ্ছে ।

    সিভি (CV)-তে কি কি থাকা উচিত?

    চাকরির ধরন অনুযায়ী সিভি’র কিছু কিছু অংশ সবসময় পরিবর্তনশীল। সেগুলো নিজের মতো করে প্রয়োজন অনুযায়ী লিখতে হবে। কিন্তু কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো অপরিবর্তনশীল প্রত্যেকটা সিভি’র ক্ষেত্রেই। এই সকল বিষয় বিবেচনা করে একটি সিভি (CV)- তে কি কি থাকা উচিৎ তা নিচে দেওয়া হলোঃ 

     
    • নাম ও ঠিকানাঃ (Name And Address)

    সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার আসল এবং পূর্ণ নাম ও ঠিকানা সিভি-তে লিখতে হবে। মিস্টার মিসেস এগুলো সংযুক্ত করা যাবে না। পাশাপাশি এখানে আপনার ফোন নাম্বার ও বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কের লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারেন। এর সাথে বাধ্যতামূলক ভাবে আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস যুক্ত করবেন আপনার সিভিতে। এক্ষেত্রে আপনার পূর্ণ নাম দিয়ে একটি ইমেইল খুলবেন। উল্টাপাল্টা কোনো ইমেইল যুক্ত করবেন না।    

     

    • ক্যারিয়ারের উদ্দেশ্যঃ (Career Objectives)

    এর পরে আপনি যে পদের জন্য আবেদন করছেন সে পদে চাকরিটি পেলে আপনি কি কি করতে চান, কি কি উদ্দেশ্য আছে ভবিষ্যতে ওই পদে থেকে তা সংক্ষিপ্ত আকারে ১০০ শব্দের ভেতরে তুলে ধরবেন।

    • কাজের অভিজ্ঞতাঃ (Work Experience)

    কাজের অভিজ্ঞতা বা (Experience) হচ্ছে একটি সিভির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই অংশে আপনি যে যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন, যে যে পদে কাজ করেছেন, যেসব কাজ করতে হয়েছে আপনাকে ওই সব পদে থেকে তা সংক্ষেপে তুলে ধরবেন। যদি অনেক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যে পদের জন্য এখন আবেদন করছেন সে পদের সাথে প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা গুলো তুলে ধরবেন। এক্ষেত্রে সংক্ষেপে আপনার কাজের বিবরন যতদুর সম্ভব তুলে ধরা যায় তা তুলে ধরবেন।

     

    • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ (Educational Qualification)

    এখানে সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ফলাফল সহ তুলে ধরবেন। বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে এস.এস.সি থেকে শুরু করে পরের সব ডিগ্রি গুলোকে তুলে ধরবেন ইন্সটিটিউটের নাম সহকারে। পাশাপাশি কোর্সের মেয়াদকাল এবং কোন কোন সালে পরীক্ষা গুলো দিয়েছেন সেগুলো তুলে ধরা বাঞ্ছনীয়।

     

    • কম্পিউটার দক্ষতাঃ (Computer Skill)

    কাজের অভিজ্ঞতার পরে, এটিই বর্তমানে সবথেকে গুরুত্ব পূর্ণ অংশ হিসাবে পরিগণিত হয়। কম্পিউটারের দক্ষতা এখন প্রতিটি চাকুরির ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অফিসের সকল কাজই এখন মূলত কম্পিউটার নির্ভর। তাই এ বিষয়ক যে যে দক্ষতা আছে আপনার সব গুলোই সংক্ষেপে তুলে ধরবেন।  

    • ভাষাগত দক্ষতাঃ (Language Efficiency)

    আপনার কোন কোন ভাষার উপরে দখল আছে তা সুন্দর ভাবে তুলে ধরতে হবে । বাংলা এবং ইংরেজি এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক আপনি যদি বাংলাদেশে চাকরি করতে চান। এছাড়াও কিছু কিছু নির্দিষ্ট চাকরির ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভাষার জানার পূর্বশর্ত দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সেগুলো যুক্ত করতে হবে।

     
    • অন্যান্য দক্ষতাঃ (Other Skills)

    অন্যান্য কোনো দক্ষতা যদি আপনার থেকে থাকে যেগুলো কাজে আসতে পারে আপনার আবেদনকৃত চাকরীতে, তাহলে সেগুলোও সংক্ষেপে তুলে ধরতে হবে।

     

    • রেফারেন্সঃ (Reference)

    এই অংশটিতে অনেকেই অনেক সময় ভুল করে। আত্মীয়-স্বজনের নাম দিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে এমন দুই অথবা তিন জনের রেফারেন্স দিবেন যারা আপনাকে ভালো ভাবে চেনে কিন্তু কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। এখানে আপনি যদি সদ্য গ্রজুয়েট হয়ে থাকেন, আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রেফারেন্স সবথেকে বেশি গ্রহণযোগ্য হবে কারন তারা আপনাকে সবথেকে ভালো ভাবে চিনেন। এক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন কারন আবেদনকৃত কোম্পানি থেকে আপনার দেওয়া রেফারেন্স থেকে ফোন দিয়ে যাচাই করতে পারে।

     

    • ছবি সংযোজনঃ (Photo)

    এর পরে সিভি’র উপরের অংশে আপনার সদ্য তোলা একটি ফর্মাল পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করবেন। পুরাতন কোনো ছবি বা কালো চশমা পরিহিত কোনো ছবি দেওয়া যাবেনা। ছবিটা যথেষ্ট ফর্মাল হতে হবে।  

     

    • স্বাক্ষর ও তারিখঃ (Signature And Date)

    সবশেষে আপনার স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি এবং তারিখ সিভি’র নিচের অংশের যুক্ত করতে হবে।

     

    বর্তমানে সিভি’র ফরম্যাট কেমন হওয়া উচিৎ?

    সিভি হচ্ছে এমন একটি ডকুমেন্ট যা দেখে খুব কম সময়েই আপনার ইমপ্লয়ার (Employer) আপনাকে মূল্যায়ন করবেন। তাই এক্ষেত্রে প্রতিটি অংশেই আপনাকে স্মার্টনেস দেখাতে হবে। সিভি’র ফরম্যাটও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক বর্তমানে একটি সিভি’র ফরম্যাট কেমন হওয়া উচিৎঃ

     

    • সিভির দৈর্ঘ্যঃ

    এক্ষেত্রে একটি ধারণা আমরা আগেই দিয়েছি। যেভাবেই হোক দুই পৃষ্ঠার মধ্যেই শেষ করতে হবে আপনার সিভি। অনেক কম সংখ্যক শব্দ ও কথায়ও অনেক বেশি কিছু প্রকাশ করা যায়। যতদূর সম্ভব সংক্ষেপে আপনার সকল তথ্য উল্লেখ করতে হবে এখানে। 

     

    • কাগজের সাইজঃ

    আপনি পোস্ট অফিস-এ বা অনলাইনে পিডিএফ যে মাধ্যমেই সিভি পাঠান না কেন, আপনাকে A4 পেজ-এ সিভি টি লিখতে হবে। এক্ষেত্রে সিভি’র চারপাশে মার্জিনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে জায়গা রাখবেন।

     

    • ফন্টঃ

    সিভি-টি ফরমাল রাখার জন্য আপনি Calibri, Arial বা, Times new roman এই তিনটি ফন্টের একটা ব্যবহার করতে পারেন। ফন্টের সাইজ ১০ থেকে ১২ এর মধ্যে রাখবেন। হেডলাইন-এর ক্ষেত্রে ১৪ বা ১৬ সাইজের ফন্ট ব্যবহার করে সেটিকে বোল্ড করে দিতে পারেন।

     

    • গ্রামার ও অন্যান্যঃ

    সিভি’র কোনো অংশের গ্রামার-এ বিন্দু মাত্র ভুল করা থেকে বিরত থাকবেন। পাশাপাশি বানানের দিকেও খুব গুরুত্ব দিবেন। সিভি’টি লেখা শেষ হলে বার বার রিভাইস দিয়ে দেখবেন কোনো ভুল আছে কিনা।

     

    সিভি লেখার নিয়ম

    বর্তমানে সিভি লেখা আগের থেকে অনেক সহজ হয়ে গেছে। অনেক নতুন নতুন পদ্ধতি এসেছে যার মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনি পরিপূর্ণ একটি সিভি বানিয়ে ফেলতে পারেন। চলুন এমন কিছু মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করা যাক।   

     
    • এম এস ওয়ার্ড (Microsoft Word)-এর মাধ্যমে নিজে তৈরি করাঃ

    আপনি যদি পুরোপুরি নিজে একটি সিভি বানাতে চান, সেক্ষেত্রে এম এস ওয়ার্ড সবথেকে ভালো মাধ্যম হতে পারে আপনার জন্য। বাই ডিফল্ট কিছু ফরম্যাট এম এস ওয়ার্ড এ দেওয়া থাকে। তাদের মধ্য থেকে একটা নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপনি। অথবা নিজে নিজেই ফরম্যাট বানিয়ে সেটি দিয়ে আপনার সিভি বানাতে পারেন। এর পাশাপাশি এখন পাওয়ার পয়েন্ট (MS Power Point)- এও সিভি বানানো যায়। ওখানে বিভিন্ন শেপ (Shape) ব্যবহার করে একটি চমৎকার সিভি বানিয়ে ফেলতে পারেন। আবার অনলাইনে, পাওয়ার পয়েন্ট সিভি টেম্পলেটও (PowerPoint CV Template) পেয়ে যাবেন একটু খুজলেই। ওগুলো ব্যবহার করেও খুব সহজেই আপনি একটি প্রফেশনাল সিভি বানিয়ে ফেলতে পারেন।

     
    • সিভি বিল্ডিং ওয়েবসাইট (CV-Building Website) থেকে বানানোঃ

    বর্তমানে অনেক সিভি বিল্ডিং ওয়েবসাইট (CV-Building Website) রয়েছে যারা ফ্রি-তে সিভি বানানোর সার্ভিস দিয়ে আসছে। গুগলে সার্চ করলে এরকম অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। পছন্দ মতো একটি ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই একটি মানসম্মত সিভি বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

     
    • মোবাইল অ্যাপ (Mobile App) এর মাধ্যমে বানানোঃ

    এখন আপনি যদি চান মোবাইল -এ সিভি বানাবেন, চাইলে সেটাও করতে পারেন। অনেক অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস (Android and IOS) অ্যাপ আছে যেগুলো দিয়ে খুব সহজেই প্রোফেসনাল সিভি বানানো যায়। চাইলে এরকম একটি অ্যাপ বেছে নিয়ে সেটির মাধ্যমেও আপনার সিভি’টি বানাতে পারেন।

     

    আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর আগে যে সকল বাস্তবতার দিকে নজর

    রাখবেন—


    ১. একজন চাকুরীদাতা গড়ে একটি জীবনবৃত্তান্ত (CV)-এর উপর ৩০ সেকেন্ডের বেশী সময় দেয় না ৷ সুতরাং এটি হতে হবে সংক্ষিপ্ত ৷ তথ্যগুলোর উপস্থাপন হতে হবে সুস্পষ্ট ৷ অপ্রয়োজনীয় বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিহার করতে হবে ৷

    ২. একজন অনভিজ্ঞ/সদ্য পাস করা চাকুরীপ্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত এক থেকে দুই পাতার বেশী হওয়া কোনভাবেই উচিত্ নয় ৷

    ৩. আপনার জীবনবৃত্তান্ত হচ্ছে আপনার নিজেকে বিপণন করার মাধ্যম ৷ সুতরাং এটি হতে হবে আকর্ষণীয় ৷ তবে চটকদার কোন কিছু যেমন রঙিন কাগজ বা রঙিন কালি ব্যবহার করবেন না ৷ কোন কিছু Highlight করতে হলে সেটিকে Bold, italic বা underline করতে পারেন ৷

    ৪. মনে রাখবেন, আপনার জীবনবৃত্তান্তের মধ্যে যদি কোন বানান ভুল বা ভাষাগত/ Grammatical ভুল থাকে তবে সম্ভাব্য চাকুরীদাতার আপনার সম্বন্ধে নেতিবাচক ধারণা হবে ৷ এটি প্রকাশ পাবে যে আপনি কোন কাজই নির্ভুল ভাবে করতে সক্ষম নন ৷ সুতরাং একটি CV তৈরীর পর সেটি নিজে ভাল করে পড়ুন এবং শুদ্ধ ইংরেজী জানেন এমন ব্যক্তিকে দেখিয়ে নিন। 

    চাকরির জন্য সিভি লেখার নিয়ম ইংরেজিতে

    চাকরির জন্য সিভি লেখার নিয়ম ইংরেজিতে


    সিভি (cv) লেখার নিয়ম (ইংরেজিতে ও বাংলায়) | পরীক্ষায় cv লেখার নিয়ম | সিভি লেখার নিয়ম pdf

    চাকরির জন্য বাংলা সিভি

    ব্র্যাক ( BRAC ) NGO বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার নিয়ম CV ) , চিঠি / খাম লেখার নিয়ম ইত্যাদি নমুনা আবেদন ফর্ম ও চিঠি নিচের নিয়ম অনুযায়ী লিখতে পারেন ।

    চাকরির জন্য বাংলা সিভি


    আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম

    প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা নিচে এসএসসি ও এইচএসসি জন্য ৪ টি CV লেখার নমুনা পিকচার দেওয়া হলো দেখে নিবেন। 

    এসএসসি ও এইচএসসি সিভি লেখার নিয়ম 

    আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম

    আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম

    আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম

    আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম


    শেষাংশ

    বর্তমানে চাকরির দুনিয়ায় একটি সিভি (CV) অতিব জরুরি একটি ডকুমেন্ট যা আপনাকে একটি চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ অনেকটাই সাহায্য করতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সকলেরই উচিৎ সিভি বানানো শিখে রাখা। এই আর্টিকেলটিতে আমরা একটি সিভি লেখার নিয়ম সম্পর্কে আদ্যোপান্ত আলোচনা করেছি। আশা করি লেখাটি আপনাদের সিভি লেখা বিষয়ক জ্ঞান বৃদ্ধিতে অনেকাংশে সহায়তা করেছে। এছাড়া বিষয়ক যে কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। সকলের জন্য সুভকামনা রইল।

    Tag: ইংরেজিতে সিভি লেখার নিয়ম,মানসম্মত সিভি,ছাত্রলীগের সিভি লেখার নিয়ম, যুবলীগের সিভি,চাকরির জন্য সিভি লেখার নিয়ম ইংরেজিতে, নিজের সম্পর্কে cv, সিভি লেখার নিয়ম বাংলা, চাকরির সিভি নমুনা ইংরেজি, আধুনিক সিভি লেখার নিয়ম, সিভি ফরমেট ডাউনলোড,Cv লেখার নিয়ম কানুন

                                   
    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন