মেয়েদের প্রেমে ফেলার উপায় ( ১৫ টি) | ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায় | মেয়ে পটানোর উপায়

মেয়েদের প্রেমে ফেলার উপায় ( ১৫ টি) | ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায় | মেয়ে পটানোর উপায়


আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকবৃন্ধ সবাই কেমন আছেন। আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। বন্ধুরা আজকে আমরা তোমাদের মেয়েদের প্রেমে ফেলার উপায়- ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায় শেয়ার করবো। 


মেয়ে পটানোর উপায়ঃ- পাঠক বন্ধুরা প্রেম করতে চায় না এমন কোন ছেলে মেয়ে খুজে পাওয়া যাবে না। আর সবার জীবনে কোন না কোন সময় প্রেম আসে। সেটা অনেকে ধরে রাখতে পারে আবার অনেকে পারে না। আবার অনেকে আছে যারা প্রিয় মানুষকে ভালোবাসার পর ও বলতে পারে না। তাই আজকে আমরা মেয়েদের প্রেমে পড়ার উপায় কিভাবে একজন মেয়েকে প্রেম করার জন্য ইমপ্রেস করা যায় মোটামুটি একটো আইডিয়া দেওয়ার চেষ্টা করবো।


মেয়েদের প্রেমে ফেলার উপায়

  1. প্রথম সাক্ষাতেই নিজের ইমপ্রেশন তৈরি করুন
  2. নিজেকে একটি ‘চ্যালেঞ্জে’ পরিণত করুন
  3. বেশি ঘুরঘুর করবেন না
  4. ছোট ছোট বিষয়ে মনযোগ দিন
  5. তাকে ভালভাবে জানুন
  6. তাকে হাসান তবে নিজে তাকে হাসির পাত্র করবেন না
  7. কিছু সিক্রেট লুকিয়ে রাখুন
  8. তাকে তাড়া করবেন না
  9. নিজেকে তার যোগ্য করে তুলুন।
  10. তার নিরুপায় অবস্থায় উপায় হয়ে যান।
  11. তার সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখুন।
  12. বুঝিয়ে দিন যে আপনার উপর নির্ভর করা যায়।
  13. প্রশংসা করতে ভুলবেন না।
  14. বডী ল্যাঙ্গুয়েজ যেন মার্জিত ও সুন্দর হয়।
  15. কারণে অকারণে দেখা দিন।

মেয়ে পটানোর উপায় | ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায় 

১) প্রথম সাক্ষাতেই নিজের ইমপ্রেশন তৈরি করুন
ইংরেজিতে একটা কথা আছে। ফার্স্ট ইমপ্রেশন ইজ দ্য লাস্ট ইমপ্রেশন। সহজ করে বললে, কারও সাথে প্রথম সাক্ষাতে আপনার যে বিষয়টি অন্যের কাছে ফুটে উঠবে সেটিই আপনার শেষের ফলাফল নির্ধারন করবে। তাই প্রথম সাক্ষাৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসী থাকুন। প্রথম সাক্ষাতে এমন কিছু বলুন, যা দিয়ে আপনার পছন্দের মানুষটির মনে আপনি দাগ কাটতে পারেন। আবার এমন কিছুও বলবেন না, যা আপনাকে খুব হাল্কা করে দিবে। প্রথম সাক্ষাতের আগে নিজের পোষাক আষাক নিয়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিন। নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছাতে চেষ্টা করুন। জানেন তো, মেয়েরা অপেক্ষা করা পছন্দ করে না!

২) নিজেকে একটি ‘চ্যালেঞ্জে’ পরিণত করুন
আপনি তাকে রাজি করানোর কষ্টের পরিবর্তে যদি এমন কিছু করতে পারেন যাতে তিনিই আপনার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন তাহলে ভালো হয় না? গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এমন পুরুষ বেশি পছন্দ করেন যাদেরকে সহজে কাবু করা যায় না। সহজ করে বললে, পছন্দের মানুষটিকে রাজি করার চ্যালেঞ্জ না নিয়ে বরং নিজেকেই চ্যালেঞ্জে পরিণত করুন যেন সেই আপনাকে রাজি করাতে কিছু করে।

৩) বেশি ঘুরঘুর করবেন না
কোন কিছুই বেশি ভালো না। পছন্দের মানুষের মন জয় করতে তাঁর আশেপাশে অবশ্যই যাবেন তবে তা এতটা বেশি হওয়া উচিত নয় যা আপনাকে একদম ‘সহজলভ্য’ করে তোলে। নিজের ব্যক্তিত্বকে এমনভাবে প্রকাশ করুন যেন আপনি তাঁর কাছে আছেন আবার অনেক দূরে। আপনি চাইলে তাঁর কাছে যেতে পারবেন কিন্তু তিনি চাইলে পারবেন না। চেষ্টা করেই দেখুন, কাজে দিবে।

৪) ছোট ছোট বিষয়ে মনযোগ দিন
পছন্দের মানুষটির মন জয় করবেন আর তার দিকে মনযোগ দিবেন না, তা তো হয় ন। তাই তাঁর প্রতিটি বিষয়ে বিশেষ পছন্দ করুন। তাঁর পোশাকটি সুন্দর হয়েছে এমন মন্তব্য করুন। পোশাকের সাথে তাঁর কানের দুল বেশ ম্যাচ করেছে তাও বলুন। আপনার এই প্রতিটি ছোট ছোট মনযোগ আপনার দিকে তাঁর মনযোগ বাড়িয়ে দিবে বহুগুনে।

৫) তাকে ভালভাবে জানুন
শুরুর দিকে একে অপরের বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা না হলে নিজেদের বিষয়ে জানতে পারবেন না। তবে এই আলোচনা বা সাক্ষাৎকারের মানে এই না যে, শুধু আপনি বলে যাবেন। তাঁর কাছেও জানতে চান। প্রশ্ন করুন। নিজের বিষয়ে যেমন তাকে জানাবেন তেমনি তাঁর বিষয়েও ভালভাবে জানুন।

৬) তাকে হাসান তবে নিজে তাকে হাসির পাত্র করবেন না
মেয়েদের হাসি কাপন ধরিয়ে দিতে পারে অনেক ছেলের। আপনি যদি আপনার পছন্দের মেয়ের মুখে হাসি আনতে পারেন তাহলে তাঁর মনে জায়গা পাওয়া অনেকটাই সহজ হতে পারে আপনার জন্য। তবে এর মানে এই না যে, নিজেকে বা তাকে অন্যের সামনে হাসির পাত্র করবেন। নিজেকে হাসির পাত্র করলে তাঁর কাছে আপনার গুরুত্ব কমে যাবে। আর তাকে হাসির পাত্র করলে তো খবরই আছে, ভাই।
মজার মজার জোকস বা ছোট গল্প শুনিয়ে হাসি আনুন তাঁর ঠোটে। আর হ্যাঁ, যদি সমর্থ হন তাহলে সেই হাসিরও প্রশংসা করুন।

৭) কিছু সিক্রেট লুকিয়ে রাখুন
মানুষটির মন জয় করতে আপনি সবকিছুই করবেন। তবে ‘সিক্রেট’ লুকিয়ে রাখুন। আপনার মানুষটিকেই সেসব ‘সিক্রেট’ খুঁজে বের করে নিতে দিন। নিজের শেষ ‘কার্ড’টি বাঁচিয়ে রাখুন মোক্ষম সুযোগের অপেক্ষায়।

৮) তাকে তাড়া করবেন না
ভালবাসার খেলায় কোন তাড়াহুড়া করবেন না। তাকে কোন ধরণের তাড়াও দিবেন না। ধীর ও স্থির ব্যক্তিই শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়। তাই ধৈর্য্য ধরুণ।
ভালো হয় সম্পর্কের বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে তাকেই প্রথম পদক্ষেপটি নিতে দিন। উপরের পরামর্শগুলো অনুসরণ করুন। পেয়েও যেতে পারেন মনের মানুষটিকে।

৯) নিজেকে তার যোগ্য করে তুলুন।

দেখা গেলো মেয়েটি সর্বদা ক্লাস টেস্টে প্রথম হয়। অথচ আপনি পাস-ফেল তো পরের কথা, টেস্টে অংশগ্রহণই করেন না। দুজনের মধ্যে তখন ব্যবধান টা বেশি হয়ে যায়। অথবা দেখা গেলো মেয়েটা নিয়মিত ক্লাস করে। এক সময় সে লেখাপড়া শেষ করে ভালো কিছু করবে এটাই দৃশ্যত সত্য। কিন্তু আপনি নিয়মিত ক্লাস করেন না; লেখাপড়া শেষ হওয়ার আগেই লেখাপড়াকে শেষ করে দিয়েছেন।।  

আর যাই হোক, এমন স্কুল ড্রপ করা ছেলেকে কি কোন বুদ্ধিমতী মেয়ে ভালোবাসবে, নাকি বিয়ে করবে? যখন একটি মেয়ে বুঝতে পারে যে, এই ছেলেটির সাথে প্রেম করলে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে তখন তাকে বাগে আনা তেমন কষ্ট হয় না। বরং মেয়েরা এমন ছেলেই খুঁজে।

১০) নিরুপায় অবস্থায় উপায় হয়ে যান।

সেই মেয়ে যার ওষ্ঠের নিচে কালো তিল, হাসলে গালে টোল পরে, যাকে দেখলে আর কিছু ভালো লাগে না, তার প্রেমে আমি পড়লেও সে পড়েনি। এটাই কি আপনার মনের অবস্থা? ধরুন সে এই মুহূর্তে একটি জটিল অংক কষার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোন ভাবেই পেরে উঠছে না।

একবার তাকে অংকটা করে দেখানতো? দেখবেন কেমন জাদু হয়ে যায়। অথবা ধরুন অন্য কোন ব্যথা, অন্য কোন অভাব, অপূর্ণতা যদি থেকে থাকে-তাহলে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন। কিছু দিয়ে না হলেও সান্ত্বনা দিয়ে তো তাকে হেল্প করতে পারেন? তাকে বুঝতে দিন যে আপনি সর্বদা তার পাশে আছেন?

 ১১) সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখুন।

তাকে প্রপোজ করুন সম্মানের সাথে। আর কথা বলার সময় কিংবা অন্য কোন কাজে সে যেন মনে না করে যে, আপনি তাকে হেয় প্রতিপন্ন করেন। তাকে তার প্রাপ্য রেসপেক্ট দিয়ে চলুন। তাতে তার মনে আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা জন্ম নিবে।

আর প্লীজ, থ্যাংকস, মে আই?, ফর সিউর, ইউ মে- এই জাতীয় শব্দগুলি ইংরেজিতে হোক আর বাংলায়ই হোক, সঠিক সময়ে ব্যাবহার করতে ভুলবেন না।


১২) বুঝিয়ে দিন যে আপনার উপর নির্ভর করা যায়।

যাকে বিশ্বাস করা যায় না, যার উপর নির্ভর করা যায় না-এমন লোকের প্রেমে পড়ে কেমন মেয়েরা? যেসকল ছেলেদের কোন ফিউচার প্ল্যান নেই অথবা যে সকল ছেলেরা বখে গেছে-তাদের প্রেমেও অনেক সময় ভালো ঘরের মেয়েদেরকে পড়তে দেখেছি। কিন্তু তাদের পরিনতি শেষ পর্যন্ত ভালো হয়নি। এই সকল মেয়েরা হয়ে যায় তখন ব্রেক ফেইল করা গাড়ির যাত্রী।

কিন্তু যে সকল মেয়েদের ভিসন আছে, আছে সঠিক চিন্তাধারা এবং পরিকল্পনা-তারা তাদের প্রেমে সাড়া দেয় না যাদের উপর তারা নির্ভর করতে পারে না। মেয়েরা কোন ছেলেকে ‘হা’ বলার আগে ১০০ বার ভাবে, ছেলেটির উপর নির্ভর করা কিংবা বিশ্বাস করা যায় কিনা।

মেয়ে যদি বুঝতে পারে ভবিষ্যতে এক সাথে সংসারটা চালানোর মতো চালিকাশক্তি আপনার আছে, তাহলে সে আপনার ডাকে সাড়া দিবে।  


১৩) প্রশংসা করতে ভুলবেন না।

কি ভাবছেন? আপনি হয়তো কনজারভেটিভ। তাই প্রশংসা করে অভ্যস্ত নন। অথবা আপনি প্রশংসা করে নয়, শোনে অভ্যস্ত। কিন্তু এখানে খুব বেশি চয়েস নেই। মেয়েদের ভালো কোন দিকের জন্য প্রশংসা করতে হয়।

তাই বলে সে যা নয় তাই বলে প্রশংসা করতে যাবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তার এলো কেশ, সুন্দর করে পরা শাড়ি, হাসি, হাটার স্টাইল, অথবা কথা বলার ধরণ ভালো লাগলে জানিয়ে দিন। ভালো কিছু বা কাজের জন্য সবাই প্রশংসার দাবীদার। মেয়েটি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলে তাকে এপ্রিসিয়েট করা বেমানান কিছু নয়।

১৪) বডি ল্যাঙ্গুয়েজ যেন মার্জিত ও সুন্দর হয়।

যেনতেন মেয়ে হলে কথা নেই। তারা ছোটখাটো ব্যাপারগুলিতে খুব বেশি গুরুত্ব দিবে না। কিন্তু সমজদার মেয়ে হলে আপনার অঙ্গভঙ্গির দিকে লক্ষ করবে। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ভেবে দেখুন তো একটি ছেলে যখন মেয়ে মানুষের মতো করে হাটে, কথা বলে অথবা কথা বলার সময় হাত নারায় তখন ব্যাপারটা কেমন লাগে বা কেমন দেখায়?
মেয়েটির সাথে কথা বলার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন নিজের অজান্তে অঙ্গভঙ্গিতে দৃষ্টিকটু কোন কিছু ফুটে না উঠে।

পুরনো এই কথাটি নিশ্চয়ই শুনেছেন, “আউট অব সাইট আউট অব মাইন্ড।” তাই প্রেম নিবেদন করে হারিয়ে গেলে চলবে না। অনেকে প্রেম প্রত্যাখ্যাত হয়ে হারিয়ে যায়। ব্যাপারটাকে শুরুতেই শেষ করে দিতে নেই।
প্রপোজ করার আগে হলে ভালো হয়। পরে হলেও ক্ষতি নেই। অর্থাৎ কোন কিছুর ওজুহাতে প্রতিনিয়ত নিজের চেহারাটা তাকে দেখান। অজুহাত না পেলে তার কাছে এমনি যান। বলুন, আমি তোমাকে মিস করছিলাম। তাই দেখতে এলাম তুমি কেমন আছো।


টাগঃমেয়েদের প্রেমে ফেলার উপায়, ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায়, মেয়ে পটানোর উপায়

                               
Previous Post Next Post
আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন