শবে কদরের করনীয় ও বর্জনীয়

শবে কদরের করনীয় ও বর্জনীয়


আসসালামু আলাইকুম প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা সবাই কেমন আছেন। আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। বন্ধুরা আজকে আমরা তোমাদের ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শবে কদরের করনীয় ও বর্জনীয় এনিয়ে কিছু আলোকপাত করবো,আসা করি তোমাদের উপকারে আসবে।

       
       

    শবে কদরের করনীয় ও বর্জনীয়

    তো করনীয় বিষয়ে জানার পূর্বে একথা জানা দরকার যে শবে কদর কখন?  এবিষয়ে হাদিস শরীফে আসছে ..تحروا ليلة القدر في العشر اواخر من رمضان. অর্থ. তোমরা শবে কদর কে রমজান মাসের শেষ দশকে তালাশ করো।তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম যে শবে কদর শেষ দশকের যে কোন দিন হতে পারে।

    ১ নং করনীয় সম্পর্কে আমরা হাদিস শরীফে পাই তাহলো রসুল (সঃ) শেষ দশকে শবে কদর পাওয়ার জন্য এ,তেকাফ করতেন অতএব আমরা ও তাই করবো।

     ২নং নফল নামাজ দীর্ঘ সময় নিয়ে আদায় করবো।  হাদিসের কিতাবগুলোতে পাওয়া যায় যে রাসুল ( সঃ)এতো দীর্ঘ নামাজ আদায় করতেন যে তার উভয় পা ফুলে যেত। 

    ৩নং আমরা লাইলাতুল কদরে আল্লাহ তায়ালার কাছে আনত নয়নে দোয়া করবো। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে الدعاء مخ العباده, অর্থ দোয়া ইবাদতের মুল। 

    ৪নং কোরআন তেলাওয়াত করবো اقرءوالقران فانه ياتي يوم القيامة شفيعا لاصحابه অর্থাৎ তোমরা কোরআন পড়ো নিশ্চয় তা কিয়ামতের দিন তোমাদের শুফারিশ কারী হবে।

    ৫নং দান -সদকা করবো  আরও ইত্যাদি নেক আমল করবো যা আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন।  

     বর্জনীয় বিষয় হলো  প্রত্যেক প্রকার গোনাহ থেকে বেচে থাকবো। এবং অতিতে যা গুনাহ হয়েছে তার জন্য তওবা করবো। উলামায়ে কেরাম রা বলেছেন  হাজার টা নেকি করা থেকে একটি গুনাহ থেকে বেচে থাকা উত্তম।গিবত থেকে বেচে থাকবো। কারণ তা কোরআনের ভাষায় মৃত ভাইয়ের  গোশত খাওয়া। অনর্থক কার্যকলাপ থেকে বেচে থাকবো কারণ এসময় হচ্ছে বরকতময় সময়, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে  অফার, তার কদর করবো অর্থাৎ নেক কাজে ব্যয় করবো। আতশবাজি বম ফোটানো ইত্যাদি গর্হিত কাজ যা মানুষকে কষ্ট দেয়, করা যাবে না। 

    আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে করনীয় কাজ করার এবং বর্জনীয় কাজ বর্জন করার তাওফিক  করুন।আমিন।

                                   
    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন  

     

    আপনার নামের অর্থ জানতে ক্লিক করুন