Class 9/Nine 6th Week Assignment Answer Science| ৯ম/নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২২ বিজ্ঞান ষষ্ঠ সপ্তাহ | ৯ম শ্রেণীর ৬ষ্ট সপ্তাহের বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ২০২২

 

Class 9/Nine 6th Week Assignment Answer  Science| ৯ম/নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২২ বিজ্ঞান ষষ্ঠ সপ্তাহ  | ৯ম শ্রেণীর ৬ষ্ট সপ্তাহের বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ২০২২

       
       

    Class 9/Nine 6th Week Assignment Answer  Science

     ৯ম/নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২২ বিজ্ঞান ষষ্ঠ সপ্তাহ  

     ৯ম শ্রেণীর ৬ষ্ট সপ্তাহের বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ২০২২ 




    ভিটামিন - বি এর অভাবজনিত রোগ ও প্রতিকার : ভিটামিন - বি এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয় , মুখে ও জিভে ঘা এবং ত্বক খসখসে হয় । চোখ দিয়ে পানি পড়ে । এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয় । ডাল এবং ডালজাতীয় খাবারে এই ভিটামিনটি প্রচুর পরিমাণে থাকে । সাধারণত সামুদ্রিক মাছ , মাংস এবং বাদামে ভিটামিন - বি পাওয়া যায় । নিয়মিত ডিম , বাদাম , দুগ্ধজাত খাবার , পূর্ণ শস্য এবং শিম খেলে শরীরে এই ভিটামিনটির ঘাটতি দূর হয় ।

     ভিটামিন - সি এর অভাবজনিত রোগ ও প্রতিকার : ভিটামিন - সি এর তীব্র অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় । এর অভাবে অস্থির গঠন শক্ত ও মজবুত হতে পারে না । ত্বকে ঘা হয় এবং ক্ষত শুকাতে দেরি হয় । দাঁতের মাড়ি ফুলে দাঁতের এনামেল উঠে যায় । আমলকী , লেবু , কমলালেবু , টমেটো , আনারস , পেয়ারা ইত্যাদি ভিটামিন - সি এর উৎস । তাই এগুলো নিয়মিত খেলে এর অভাব পূরণ করা যায় ।

    গঠনে সাহায্য করে , মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর বন্ধ্যাত্ব দূর করে । 

    ভিটামিন - কে এর অভাবজনিত রোগ ও প্রতিকার : যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয় । পিত্তরস্ নিঃসরণে অসুবিধা হলে ভিটামিন কে এর শোষণ কমে যায় । - ভিটামিন- কে এর অভাবে ত্বকের নিচে ও দেহাভ্যন্তরে যে রক্ত ক্ষরণ হয় তা বন্ধ করার ব্যবস্থা না নিলে রোগী মারা যেতে পারে । ভিটামিন - কে সম্পূরক খাওয়ার ওষুধ অথবা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ । ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ , যেমন- সবুজ পাতাওয়ালা সবজি , বাঁধাকপি , ব্রোকোলি ইত্যাদি ।

    খাদ্য তালিকায় প্রাপ্ত খনিজ পদার্থ এর নাম ও কাজ

     আমার খাদ্য তালিকায় প্রাপ্ত খনিজ পদার্থের নাম ও কাজ :

     ১। লৌহ : লৌহ রক্তের একটি প্রধান উপাদান । প্রতি ১০০ ml রক্তে লৌহের পরিমাণ প্রায় ৫০mg । যকৃৎ , প্লীহা , অস্থিমজ্জা এবং লোহিত রক্তকণিকায় এটি সঞ্চিত থাকে । লেবাহের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে ফুলকপির পাতা , নিম পাতা , ডুমুর , কাঁচা কলা , ভুট্টা , গম , বাদাম ইত্যাদি । গ্রাণিজ উৎস হচ্ছে মাছ , মাংস , ডিম , যকৃৎ ইত্যাদি । লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করা । হিমোগ্লাবিনের পরিমাণ কমে গেলে রক্তশূন্যতা রোগ হয় । রক্তশূন্যতা রোগের লক্ষণ হচ্ছে চোখ ফ্যাকাসে হওয়া , হাত - পা ফোলা , দুর্বলতা , মাথা ঘোরা , বুক ধড়ফড় করা ইত্যাদি । 

    ২। ক্যালসিয়াম : এটি প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান । খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি । অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০ % শরীরে সঞ্চিত থাকে । হাড় এবং দাঁতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ । এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে , হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে । ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয় । 

    ৩। ফসফরাস : দেহে পরিমাণের দিক থেকে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরই ফসফরাসের স্থান । ফসফরাসও ক্যালসিয়ামের মতো হাড়ের একটি প্রধান উপাদান । ফসফরাস হাড় , যকৃৎ এবং রক্তরসে সঞ্চিত থাকে । নিউক্লিক এসিড , নিউক্লিয় প্রোটিন তৈরি এবং শর্করা বিপাকের দ্বারা শক্তি উৎপাদনে ফসফরাস প্রধান ভূমিকা রাখে । ক্যালসিয়ামের মতো হাড় এইসব প্রধান কাজ রিকেটস , অস্থিরতা , দন্তক্ষয় এইসব রোগ দেখা দেয় । খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকলে ফসফরাসের অভাব হয় না । 

    ৪. পানি : এটি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে , খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে । বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া , অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয় । এ ছাড়া পানি শরীর থেকে ঘাম নিঃসরণ এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ।


    টাগঃ-Class 9/Nine 6th Week Assignment Answer  Science| ৯ম/নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২২ বিজ্ঞান ষষ্ঠ সপ্তাহ  | ৯ম শ্রেণীর ৬ষ্ট সপ্তাহের বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ২০২২


                                   
    Previous Post Next Post

      আপনার নামের অর্থ জানতে ক্লিক করুন


    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন