এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১) | ২০২১ সালের এইচএসসি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র) | উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতার ধারণা ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ


    ২০২১ সালের এইচএসসি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)  


    উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতার ধারণা ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ

    শিরোনামঃ উৎপাদন 
    সমাধানঃ

    উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতার ধারণা ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ 

    ক . উৎপাদনের ধারণা : 
    অর্থনীতির দুইটি অন্যতম কাজ হচ্ছে উৎপাদন ও ভােগ , যার সাথে জড়িত থাকে উৎপাদনকারী ও ভােক্তা । সকল অর্থনৈতিক কর্মকন্ডের মূলে রয়েছে উৎপাদন সাধারন অর্থে , উৎপাদন বলতে কোনাে কিছু সৃষ্টি করাকে বােঝায় । কিন্তু প্রকৃত পক্ষে মানুষ কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না । মানুষ কেবল প্রকৃতি প্রদত্ত দ্রব্য সামগ্রীর আকার - আকৃতি ও রূপ পরিবর্তন করে তাকে ব্যবহার উপযােগী করে তােলে। 

    মানুষ তার শ্রম ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বিনিময়যােগ্য যে বাড়তি উপযােগ সৃষ্টি করে তাকে উৎপাদন বলে । যেমন- মাটি থেকে ইট , তুলা থেকে সুতা , বাঁশ থেকে কাগজ , কাঠ থেকে আসবাবপত্র ইত্যাদি উৎপাদন করা হয় । উৎপাদনের সাথে সম্পর্কযুক্ত আরেকটি বিষয় হচ্ছে উৎপাদনশীলতা । অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে উৎপাদনের চেয়েও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ । কারন উৎপাদন বাড়লে কোন প্রতিষ্ঠানের আয় খুব একটা নাও বাড়তে পারে , কিন্তু উৎপাদনশীলতা বাড়লে প্রতিষ্ঠানের খরচ কমানাে সম্ভব হয় বলে আয় বাড়ে । 

    উৎপাদনের সমার্থক শব্দ হচ্ছে উদ্ভাবন বা সৃষ্টি । সাধারনভাবে কোন কিছু সৃষ্টি বা তৈরী করাকে উৎপাদন বলে । কিন্তু মানুষ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না । মানুষ শুধু প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের রূপগত পরিবর্তন করতে পারে । প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রূপ পরিবর্তন করে মানুষের ব্যবহার উপযােগী করে তােলাই উৎপাদন । অর্থাৎ উৎপাদন হচ্ছে কোন পণ্যের মধ্যে নতুন নতুন উপযােগ সৃষ্টি করা । যেমন- তুলা থেকে সুতা , গম থেকে ময়দা আবার ময়দা থেকে বিস্কুট তৈরি ইত্যাদি ।

    খ . উৎপাদনের গুরুত্ব : 
    অর্থনীতির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে উৎপাদন । বর্তমান সময়ে উৎপাদনকে বাদ দিয়ে এই সমাজ - সভ্যতা ও এর উন্নয়ন চিন্তাই করা যায় না । প্রকৃতি প্রদত্ত সব উপকরণ মানুষ সরাসরি ব্যবহার বা ভােগ করতে পারে না । তাই দ্রব্যসামগ্রী ব্যবহার উপযােগী করে তােলার জন্য উৎপাদনের মাধ্যমে তার রূপ পরিবর্তন করতে হয় । মানুষের দৈনন্দিন অভাব , অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়নে উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । 
    নিম্নে উৎপাদনের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে 

    ১. চাহিদা পূরণ ( Fulfillment of Demand ) : মানুষের চাহিদার শেষ নেই । একটি চাহিদা পূরণ হলে অন্য চাহিদা দেখা দেয় । এছাড়া সময়ের সাথে সাথে নতুন নতুন চাহিদার উদ্ভব হয় । বিভিন্ন ধরণের পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের বৈচিত্র্যময় চাহিদা পূরণ করা হয় । 

    ২. লক্ষ্য অর্জন ( Achieving Goal ) : ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মুনাফা অর্জন করা । উৎপাদন যত বাড়বে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা তত বাড়বে । এজন্য প্রতিষ্ঠান বিক্রয় বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সবসময় তৎপর থাকে । 

    ৩. উপযােগ সৃষ্টি ( Creating Utilities ) : উৎপাদনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের উপযােগ সৃষ্টি হয় । যেমন- রূপগত , স্থানগত , সময়গত প্রভৃতি । এছাড়াও উৎপাদন পণ্যের নতুন উপযােগ সৃষ্টি করে । যেমন- গ্রীষ্মকালীন ফল আমকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে জেলি , জুস , চাটনি , স্কোয়াশ প্রভৃতি তৈরী করা হয় ।

    ৪. আয় বৃদ্ধি ( Increasing Income ) : প্রতিষ্ঠানের এবং এর কর্মীদের আয় বৃদ্ধিতে উৎপাদনের অবদান গুরুত্বপূর্ণ । বিক্রয় বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন বাড়লে তা প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধি করে । এতে প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের আয় বাড়ে । 

    ৫. নতুন পণ্য আবিষ্কার ( Invention of New Products ) : নতুন পণ্য আবিষ্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় । আর নতুন নতুন পণ্য আবিষ্কার মানুষের অভাব পূরণে সহায়তা করে থাকে নতুন আবিষ্কার মানুষের প্রাত্যহিক অভাব পূরণ করে থাকে ।  

    গ . উৎপাদনের আওতা :  
    উৎপাদনের আওতা অত্যন্ত ব্যাপক । প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ থেকে শুরু করে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রম উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল । 
    নিম্নে উৎপাদনের আওতা আলােচনা করা হলাে 

    ১. উপযােগ সৃষ্টি ( Creating Utility ) : উপযােগ সৃষ্টি উৎপাদনের আওতাভূক্ত , কারণ উৎপাদনের মাধ্যমে পণ্যের আকার - আকৃতি , রূপ প্রভৃতি পরিবর্তন করে নতুন উপযােগ সৃষ্টি করা হয় । 

    ২. রূপান্তর প্রক্রিয়া ( Transformation Process ) : উৎপাদনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর মাধ্যমে প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের রূপান্তর করা হয় । যেমন- পাট থেকে বস্তা ও কার্পেট তৈরি করা হয় ।

    ৩. পণ্য ডিজাইন ( Product Design ) : পণ্য ডিজাইন করার সময় ক্রেতাদের চাহিদা , প্রযুক্তিগত সামর্থ্য , উৎপাদন ব্যয় প্রভৃতি বিষয় বিবেচনা করে ডিজাইন করতে হয় । 

    ৪. বিন্যাস ( Lay - out ) : কোনাে কারখানার যন্ত্রপাতি , স্থান , আবহাওয়া , পরিবেশ ইত্যাদি নির্বাচন করা হলাে উৎপাদনের আওতাধীন । কোন যন্ত্রের পর কোন যন্ত্রের অবস্থান হবে , যে স্থানে রাখলে সহজে উৎপাদন কাজ করা যাবে এবং কারখানার অভ্যন্তরে চলাচল নিরাপদ হবে ইত্যাদি বিষয়ের দিকে খেয়াল রেখে যন্ত্রপাতির সঠিক অবস্থান নির্ণয়কে যন্ত্রপাতি বিন্যাস বলে । 

    ৫. উপকরণ সংগ্রহ ( Collection of Materials ) : উৎপাদনের আরেকটি আওতাভূক্ত বিষয় হচ্ছে উৎপাদনের সাথে সম্পর্কযুক্ত উপকরনসমূহ সংগ্রহ করা । কি পরিমাণ , উপকরণ কিভাবে ব্যবহার হবে ইত্যাদি কার্যক্রম উৎপাদন শুরুর পূর্বেই স্থির করতে হয় । উৎপাদনের উপকরণগুলাে হলাে ভূমি , শ্রম , মূলধন ও সংগঠন । 

    ৬. পদ্ধতি বিশ্লেষন ( System Analysis ) : উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহজ ও সরল পদ্ধতি অবলম্বন করলে দক্ষতার সাথে বেশি পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয় । 

    ৭. সিডিউলিং ( Scheduling ) : উৎপাদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি কাজ সিডিউল অনুযায়ী সম্পাদন করতে হয় অর্থাৎ প্রতিটি কাজ কখন শুরু হবে এবং শেষ হবে তার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করতে হয় । কাঁচামাল কখন , কোন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবে , প্রক্রিয়ার সময় কতক্ষণ হবে এবং সকল প্রক্রিয়া কখন শেষ হবে তা সিডিউলিং এর মাধ্যমে স্থির করা হয় ।

    ৮. উৎপাদন পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রন ( Production Plan and Control ) : পণ্য ও সেবা সামগ্রী উৎপাদনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন , মান নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যয় নিয়ন্ত্ৰণ উৎপাদনের আওতাভূক্ত । 

    ৯. কারখানার পরিবেশ ( Factory Environment ) : কারখানার পরিবেশ উৎপাদনশীলতাকে প্রভাবিত করে । এজন্য কারখানার নিরাপত্তা , পরিষ্কার পরিছন্নতা , আলাে বাতাস , তাপমাত্রা ইত্যাদি অনুকূলে আছে কিনা তা দেখতে হয় ।

    ১০. গবেষণা ও উন্নয়ন ( Research and Development ) : নতুন নতুন পণ্য আবিষ্কারের জন্য গবেষণা প্রয়ােজন । এছাড়া পুরাতন পণ্যের উন্নয়নেও গবেষণার বিকল্প নেই । তাই বলা যায় যে , গবেষণা ও উন্নয়ন উৎপাদনের আওতাভূক্ত । 

    ১১. মজুদ নিয়ন্ত্রণ ( Inventory Contorl ) : উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রয়ােজন । আর সুষ্ঠুভাবে উৎপাদন কার্য পরিচালনার জন্য পণ্যের মজুদ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ , কারন সঠিকভাবে পণ্য মজুদ না রাখলে প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়বে ও উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে । 

    ১২. উৎপাদন ক্ষমতা ( Production Capacity ) : শ্ৰম , যন্ত্রপাতি , কাঁচামাল ব্যবস্থাপনা এমন হতে হবে যেন সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা কাজে লাগানাে যায় । এতে ব্যয় হ্রাস পায় ও উৎপাদন কাজে দক্ষতা আসে । তাই উৎপাদন ক্ষমতা কাজে লাগানাের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ উৎপাদনের আওতাভূক্ত ।

    ১৩. প্রশিক্ষণ ( Training ) : উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে যারা জড়িত যেমন- শ্রমিক , সুপারভাইজার ও অন্যান্যদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ প্রয়ােজন । যথাযথ প্রশিক্ষণ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে । তাই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উৎপাদনের আওতাভূক্ত । 

    ঘ . উৎপাদনশীলতার ধারণা : 
    উৎপাদনশীলতা হচ্ছে সম্পদের ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা উৎপাদনের পরিমাণ । অর্থাৎ কতটুকু ইনপুট বা কাঁচামাল ব্যবহার করে কি পরিমাণ আউটপুট বা পণ্য উৎপাদন করা যায় তার অনুপাত হচ্ছে উৎপাদনশীলতা । অন্যভাবে উৎপাদনশীলতা বলতে উৎপাদনের দক্ষতাকে বােঝায় । সমপরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারলে বা কম পরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করে সমপরিমাণ উৎপাদন করতে পারলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে । 

    International Labor Organization ( ILO ) 49 160 , " In the broadest concept , productivity may be taken to constitute the ratio of available goods and services to the potential resources of the group , community or the country . ” 
    অথাৎ “ ব্যাপক অর্থে , কোনাে দল , সমাজ , বা দেশে প্রাপ্ত দ্রব্য এবং সেবার সাথে কার্যকর সম্পদের অনুপাত হলাে উৎপাদনশীলতা । ” 

    উপরােক্ত সংজ্ঞার আলােকে উৎপাদনশীলতা সম্পর্কে বলা যায় যে।
    ১. উৎপাদনশীলতা হলাে উৎপাদন ও উপকরণের অনুপাত ; 
    ২. উপকরণের তুলনায় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ; 
    ৩. শ্রমের দক্ষতা মূল্যায়ন ; এবং 
    ৪. এটি মুনাফা বৃদ্ধি করে ।
    সুতরাং , পরিশেষে বলা যায় যে , নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করে বা কাজে লাগিয়ে যে পরিমাণ ফলাফল অর্জিত হয় তার অনুপাতই হলাে উৎপাদনশীলতা । আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন বৃদ্ধির চেয়েও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় । কারণ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি হলে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক আয় বৃদ্ধি পায় ।

    ঙ . উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব : 
    সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বাধিক উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত উপকরণের ভারসাম্য রক্ষাই হলাে উৎপাদনশীলতা । আর প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়ন্ডিৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  
    নিচে তা আলােচনা করা হলাে 

    ১. মুনাফা বৃদ্ধি ( Increase in Profit ) : উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং অপচয় রােধের মাধ্যমে খরচ কমে আসবে । ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বৃদ্ধি পাবে । 

    ২. ব্যবসায় সম্প্রসারণ ( Expansion of Business ) : উৎপাদনশীলতা বাড়লে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও মুনাফা বাড়ে । ফলে প্রতিষ্ঠান নতুন বিনিয়ােগের সুযােগ পায় । ফলে ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎপাদনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ।

    ৩. সম্পদের সদ্ব্যব্যবহার ( Utilization of Resources ) : প্রতিষ্ঠানে নিয়ােজিত মানুষ , যন্ত্রপাতি , কাঁচামাল ইত্যাদিসহ উৎপাদনের সকল উপকরণের যথাযথ ব্যবহারের উপর উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে । যতবেশী উপকরণের কার্যকর ব্যবহার করা যায় ততই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় । ফলে উৎপাদনশীলতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব হয় । 

    ৪. চাহিদা পুরণ ( Fulfillment of Demand ) : সম্পদের পরিমাণ সীমিত কিন্তু মানুষের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । তাই স্বল্প পরিমাণ সম্পদ দিয়ে অধিক পরিমাণ দ্রব্য উৎপাদন করা প্রয়ােজন । এ কারণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য ।


    এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১)



    Tag: এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১),  ২০২১ সালের এইচএসসি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র),  উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতার ধারণা ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ
    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন