২০২১ সালের নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১ (প্রথম পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর (২য় সপ্তাহ) | ৯ম/নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ উত্তর জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১ (প্রথম পত্র) | ইলেকট্রিক কারেন্ট, এর একক ও প্রতীক উল্লেখপূর্বক কারেন্টের শ্রেণিবিভাগকরণ


    ৯ম/নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ উত্তর জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১ (প্রথম পত্র) 


    ইলেকট্রিক কারেন্ট, এর একক ও প্রতীক উল্লেখপূর্বক কারেন্টের শ্রেণিবিভাগকরণ


    সমাধানঃ

    ইলেকট্রিক কারেন্ট এর ধারণাঃ 

    কোন বৈদ্যুতি বর্তনীতে পরীবাহীর মধ্য দিয়ে একক সময়ে ইলেকট্রন প্রবাহকে বৈদুতিক কারেন্ট বা ইলেকট্রিক কারেন্ট বলে । অন্যভাবে বলা যায় যে , কোন পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ চার্জ প্রবাহিত হয় তাকে বৈদ্যুতিক কারেন্ট বলে । ( কোন নির্দিষ্ট সময়ে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে পরিমাণ ইলেকট্রন বা চার্জ প্রবাহিত হয় তাকে কারেন্ট বলে । আমরা সবাই জানি যে , পরমাণুর ভিতরে ইলেকট্রন থাকে । সাধারণ অবস্থায় , তারের ভিতরের ইলেকট্রন গুলাে এলােমেলাে ভাবে ছড়ানাে থাকে । কিন্তু যখন এই তারের সাথে কোন সাের্স বা ব্যাটারি যুক্ত করা হয় তখন সাের্স বা ব্যাটারি অনেকটা পাম্পের মতাে কাজ করে এবং এলােমেলাে ইলেকট্রন গুলােকে ধাক্কা দিয়ে থাকে। তখন এই ইলেকট্রনগুলোর একদিকে প্রাপ্ত হয় এবং ভিতরে ইলেকট্রন থাকে । সাধারণ অবস্থায় , তারের ভিতরের ইলেকট্রন গুলাে এলােমেলাে ভাবে ছড়ানাে থাকে । কিন্তু যখন এই তারের সাথে কোন সাের্স বা ব্যাটারি যুক্ত করা হয় তখন সাের্স বা ব্যাটারি অনেকটা পাম্পের মতাে কাজ করে এবং এলােমেলাে ইলেকট্রন গুলােকে ধাক্কা দিতে থাকে । তখন এই ইলেকট্রন গুলাে একদিকে গতি প্রাপ্ত হয় এবং তখনই তারের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়ে যায় । 

    অর্থাৎ কারেন্ট = ইলেকট্রন প্রবাহের হার / সময়ের পার্থক্য ।

    ইলেকট্রিক কারেন্ট এর একক ও প্রতীকঃ 

    কারেন্ট একটি পরিমাপক রাশি । সুতরাং , কারেন্টের একক আছে । অ্যামিটারের সাহায্যে কারেন্টের একককে পরিমাপ করা যয় । কারেন্ট মাত্রার চারটি একক আছে । যথা 
    ক . সিজিএস বিদ্যুৎ একক ; 
    খ . স্থির বিদ্যুৎ একক ; 
    গ . সিজিএস বিদ্যুৎ - চৌম্বকীয় একক ; 
    ঘ , ব্যবহারিক একক । 

    কারেন্টকে প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়

    ইলেকট্রিক কারেন্টের শ্রেণিবিভাগঃ
     ইলেকট্রিক কারেন্ট প্রধানতঃ দুই প্রকার । 
    যথা 
    ক . স্থির বিদ্যুৎ :- যে বিদ্যুৎ স্থান পরিবর্তন করে না এবং উৎস স্থলেই থেকে যায় তাকে স্থির বিদ্যুৎ বলে । ঘর্ষণের ফলে এ বিদ্যুৎ উৎপত্তি হয় বলে এক ঘর্ষণ বিদ্যুৎ বলে ।

    খ . চল বিদ্যুৎ :- রূপান্তরিত প্রক্রিয়ার সাহায্যে কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রবাহিত করানাে যায় তাকে চল বিদ্যুৎ বলে । পরিবাহী পদার্থের মধ্যে দিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের ফলে এ বিদ্যুতের সৃষ্টি হয় ।

    প্রবাহ অনুসারে চল বিদ্যুৎ আবার দুই প্রকার । 
    যথা 
    ক . ডিসি কারেন্ট : যে কারেন্টের মান ও দিক অপরিবর্তিত রেখে সার্কিটে প্রবাহিত হয় তাকে ডিসি বা ডাইরেক্ট কারেন্ট বলে । 

    খ . এসি কারেন্ট : যে কারেন্টের মান ও দিক সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাযেথ পরিবর্তন হয়ে সার্কিটে প্রবাহিত হয় তাকে এসি বা ৩০ হয়ে শকিট প্রবাহি অল্টারনেটিং কারেন্ট বলে ।




    ২০২১ সালের নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১  (প্রথম পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর (২য় সপ্তাহ)



    Tag: ২০২১ সালের নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১  (প্রথম পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর (২য় সপ্তাহ),  ৯ম/নবম শ্রেণীর (ভোকেশনাল) ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ উত্তর জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১ (প্রথম পত্র),  ইলেকট্রিক কারেন্ট, এর একক ও প্রতীক উল্লেখপূর্বক কারেন্টের শ্রেণিবিভাগকরণ
    Previous Post Next Post