বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

 

বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )


       
       
             

    ৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

    বন্ধুরা নিচে নবম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ দেওয়া হলো। আপনারা এই গুলো দেখে আইডিয়া নিয়ে নিজের মত করে লিখতে পারেন। পিকচার গুলো এসাইনমেন্টের সাথে যুক্ত করতে হবে। 

    বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

    বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

    নীল নদ : মিশরের নীল নদের উৎপত্তি আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে । সেখান থেকে নদটি নানা দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ - মধ্যসাগরে এসে পড়েছে । ইতিহাসের জনক হেরােডােটাস ’ যথার্থই বলেছেন- “ মিশর নীল নদের দান । নীল নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতাে । প্রাচীন কালে প্রতিবছর নীল নদে বন্যা হতাে । বন্যার পর পানি সরে গেলে দুই তীরে পলিমাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেতাে । জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতাে নানা ধরনের ফসল ।

    বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

    শিল্পঃ শিল্প মিশরের চিত্রশিল্পও গড়ে উঠেছিল ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে । মিশরীয়দের চিত্রকলা বিশেষভাবে বৈচিত্রপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ । মিশরের চিত্রশিল্পের সূচনা হয় সমাধি আর মন্দিরের দেয়াল সাজাতে গিয়ে । তাদের প্রিয় রং ছিল সাদাকালাে । সমাধি , পিরামিড , মন্দির , প্রাসাদ , প্রমােদ কানন , সাধারণ ঘর - বাড়ির দেয়ালে মিশরীয় চিত্রশিল্পীরা অসাধারণ ছবি এঁকেছেন । এসব ছবির মধ্যে মিশরের রাজনৈতিক , ধর্মীয় , সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের কাহিনী ফুটে উঠেছে ।

    বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

    ভাস্কর্য : প্রাচীন বিশ্বসভ্যতায় মিশরীয়দের মতাে ভাস্কর্য শিল্পে - অসাধারণ প্রতিভার ছাপ আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি ।

    লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার : মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার । নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে ।

    এছাড়া মিশরীয়রা জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অবদান রেখে বিশ্বসভ্যতার উন্নতি সাধনে ভূমিকা রেখেছে ।

    বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ )

    নগর পরিকল্পনা : সভ্যতার ইতিহাসে সিন্ধু সভ্যতা একটি পরিকল্পিত নগরীর ধারণা দিয়েছে ।

    পরিমাপ পদ্ধতি : সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল । তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত ।

    স্থাপত্য ও ভাস্কর্য : সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে । সেখানে দুই কক্ষ থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধানও পাওয়া গেছে । আবার কোথাও দুই তিন তলার ঘরের অস্তিত্ব আবিস্কৃত হয়েছে ।


    মিশরীয়দের আর্থ সামাজিক অবস্থাঃ রাষ্ট্র ও সমাজ প্রাক - রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলাে ছােট ছােট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল । এগুলােকে ‘ নােম ' বলা হতাে । মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও - এর ( মেনেস বা নারমার ) অধিনে ঐক্যবদ্ধ মিশরের রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেম্ফিস । মিশরীয় ‘ পের - ও ' শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম । ফারওরা ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী । তারা নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন । ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক । অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতাে উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও । পেশার উপর ভিত্তি করে মিশরের সমাজের মানুষকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় । যেমন : রাজপরিবার , পুরােহিত , অভিজাত , লিপিকার , ব্যবসায়ী , শিল্পী ,কৃষক ও ভূমিদাস । মিশরের অর্থনীতি মূলত ছিল কৃষি নির্ভর । নীল নদের তীরে গড়ে তােলা সভ্যতার মানুষ অর্থাৎ মিশরীয়রা বন্যার সময় বাঁধ তৈরি করে ফসল রক্ষা করত । আবার শুষ্ক মৌসমে ফসলের ক্ষেতে পানি দেয়ার জন্য খাল কেটে গড়ে তুলেছিল সেচ ব্যবস্থা । মিশরেই প্রথম সরকারি ব্যবস্থায় চাষাবাদ চালু হয় । কৃষিনির্ভর মিশরের উৎপাদিত ফসলের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিল গম , যব , তুলা , পেঁয়াজ , পিচ ইত্যাদি । ব্যবসায় বাণিজ্যেও মিশর ছিল অগ্রগামী । মিশরে উৎপাদিত গম , লিনেন কাপড় ও মাটির পাত্র ক্রিট দ্বীপ , ফিনিশিয়া , ফিলিস্তিন ও সিরিয়ায় রপ্তানি হতাে । বিভিন্ন দেশ থেকে মিশরীয়রা স্বর্ণ , রৌপ্য , হাতির দাঁত , কাঠ ইত্যাদি আমদানি করতাে ।

    সিন্ধু সভ্যতার আর্থ সামাজিক অবস্থাঃ সিন্ধু সভ্যতার জনগণের রাজনৈতিক জীবন ও শাসন প্রণালি সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না । শহরের এক পাশে উঁচু ভিত্তির উপর নির্মিত নগর দুর্গগুলাে দেখে মনে হয় নগরের শাসনকর্তারা নগর দুর্গে বসবাস করতাে । চারদিক প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত দুর্গের মধ্যে প্রশাসনিক বাড়িঘরের অবস্থাও দেখা যায় । হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারাে দুই নগরের নগর পরিকল্পনা ছিল প্রায় এক । নগরের ছিল প্রবেশদ্বার । দুর্গ বা বিরাট অট্টালিকা দেখে মনে হয় একই ধরনের কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থা যুগ যুগ ধরে নগর দুটিতে প্রচলিত ছিল । এই প্রশাসন জনগণের জীবনযাত্রা নিয়ন্ত্রণ করত । সিন্ধু সভ্যতার যুগে মানুষ সমাজবদ্ধ পরিবেশে বসবাস করত । সেখানে একক পরিবার পদ্ধতি চালু ছিল । সিন্ধু সভ্যতার যুগে সমাজে শ্রেণিবিভাগ ছিল । সব লােক সমান সুযােগ সুবিধা পেত না । সমাজ ধনি ও দরিদ্র দুই শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল । কৃষকেরা গ্রামে বসবাস করত । শহরে ধনি এবং শ্রমিকদের জন্য আলাদা আলাদা বাসস্থানের নিদর্শন পাওয়া গেছে । পােশাক - পরিচ্ছদের জন্য তারা মূলত সুতা ও পশম ব্যবহার করত । সিন্ধু সভ্যতার সমাজব্যবস্থা ছিল মাতৃতান্ত্রিক । মহিলারা খুবই সৌখিন ছিল । তাদের প্রিয় অলংকারের মধ্যে ছিল হার , বালা , আংটি , দুল , বিছা , বাজুবন্দ , চুড়ি ,বণিকদের সাথে আফগানিস্তান , বেলুচিস্তান , মধ্য এশিয়া , পারস্য , মেসােপটেমিয়া , দক্ষিণ ভারত , রাজপুতনা , গুজরাট প্রভৃতি অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ ছিল ।


    Tag:বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ - সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । ( ৩০০ শব্দ ),৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন