করোনা ভাইরাসের প্রভাব ও সতর্কতা বিষয়ে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ তৈরি কর (এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য) | করোনা ভাইরাস নিয়ে সংলাপ

 

করোনা ভাইরাসের প্রভাব ও সতর্কতা বিষয়ে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ তৈরি কর। (এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য)

আসছালামু আলাইকুম সম্মানিত পাঠকবৃন্দ সবাইকে আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম। প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা এই নিবন্ধে আজকে আমরা আমাদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ রচনা নিয়ে আলোচনা করবো। তোমরা যারা করোনা ভাইরাস নিয়ে সংলাপ খুজতেছো তোমাদের জন্য আজকের  এই আর্টিকেল অনেক উপকারী হবে।

   
       

    করোনা ভাইরাসের প্রভাব ও সতর্কতা বিষয়ে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ তৈরি কর।

    [কলেজ থেকে করোনার টিকা নিয়ে দুই শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরছে আর কথা বলছে।]


     শোভনঃ দেশে কী যে মহামারী এলো রে, সবাই ভয়ে একেবারে অস্থির।


    সোহাগ : শুধু দেশে কেন, সারা পৃথিবীর মানুষ করোনার ভয়ে অস্থির। তুই ভাবতে পারিস, এমন কোনো দেশ নেই যেখানে করোনার সংক্রমণ হয়নি আর মানুষ মারা যায়নি।


    শোভনঃ শুনেছি, হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে আর মারা যাচ্ছে। 

    সোহাগ : তোর শোনাটা সম্পূর্ণ ঠিক না। কারণ আক্রান্ত হলেই সব মানুষ মারা যায় না।


    শোভন : আরে পত্রিকার পড়ছি, টিভিতে শুনছি প্রতিদিন সেগুলো কি ভুয়া


    সোহাগ : আগে আমার কথা শোন, তারপর হিসাব কর। সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত ৩০ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে আর মারা গেছে ৫৫ লাখেরও বেশি।


    শোভনঃ ওরে বাবারে, এত! তাহলে তো টিকা নিয়ে ভালোই করেছি, আর ভয় নেই।


    সোহাগঃ ভয় তাদেরই বেশি, যাদের বয়স বেশি, কঠিন রোগে আক্রান্ত এবং শারীরিকভাবে দুর্বল।


    শোভনঃ-তাহলে আমি ভয়ে মরছি কেন? আমার তো এসব কিছু নেই। তাছাড়া টিকা তো নিয়েছি। 

    সোহাগঃ ভয় আছে। তোর শরীরে যদি আগেই করোনার ভাইরাস ঢুকে থাকে তাহলে টিকা নিয়েও কোনো কাজ হবে না।


    শোভনঃ আমার শরীরে কী করে ঢুকবে?

    সোহাগঃ- হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। যার জ্বর আছে, হাঁচি-কাশি আছে, তার সংস্পর্শে এলেই এ রোগ হতে পারে।


    শোভন : এখন তো আবার ডেন্টা, ওমিক্রন ইত্যাদির কথা শুনি। এগুলোও তো মারাত্মক।


    সোহাগঃ- করোনা ভাইরাস নিজে নিজেই রূপ বদলায়। পরিবর্তিত রূপই হলো ডেন্টা ধরন, ওমিকন ধরন। এগুলো খুব দ্রুত ছড়ায়। আবার রোগের লক্ষণও বোঝা যায় না।

    শোভনঃ- তাহলে উপায়? কী করে এ রোগ থেকে রেহাই পাব?

    সোহাগ : এ রোগ প্রতিরোধের জন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নাক-মুখ ঢেকে ফেস মাক্স পরতে হবে, বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে, অন্যজন থেকে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এই নিলামগুলো কঠোরভাবে পালন করলে এ রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। 


    শোভন : ও, এ জন্যই তুই মাক্স পরে আছিস, কলেজে গিয়ে সাবান দিয়ে হাত ঘুরেছিস। আবার আমার মতো ভিড়েও ঢুকিসনি।


    সোহাগ : হ্যাঁ, এইবার তুই ঠিক বুঝেছিস।


    শোভন : ঠিক আছে। এরপর থেকে আমিও সতর্ক হয়ে যাব। তুই যা যা বলেছিস, সেগুলো সবই কঠোরভাবে পালন করব। আর সবাইকে এসব পালন করতে বাধ্য করব।


    সোহাগঃ আর দেরি নয়। চল, তাড়াতাড়ি চল

                                   
    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন