সহজে বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লিখুন- বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লেখার উপায়

সহজে বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লিখুন- বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লেখার উপায়


 বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লেখার উপায়

এইচ এস সি ব্যাচের জন্য অন্যরা ও দেখতে পারেন

💠এই ইন্টার লেভেলে এসেও মুখস্ত করে প্যারাগ্রাফ লেখা বোকামি। ❎

😨আর মুখস্ত করে গেলেও যে কমন পাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কারণ ইন্টারে বিভিন্ন ধরনের প্যারাগ্রাফ এসে থাকে। এখন যদি তোমাদের জানা থাকে কিভাবে বানিয়ে বানিয়ে প্যারাগ্রাফ লেখলেও ভালো মার্কস আশা করা যাবে, তো এক্সামে কমন না আসলেও আটকাবা না। আর এডমিশনে এখন প্যারাগ্রাফ লিখতে হয়। তো আগে থেকে প্রেকটিস থাকলে যেকোন টপিক আসুক কিছু অন্তত লিখতে পারবা।

💁সাধারণত প্যারাগ্রাফ একটি প্যারায় লিখতে হয়, যার তিনটি অংশ থাকে।
যথা:
                        ✅ভূমিকা,
                        ✅মূল অংশ
                        ✅সমাপনী।

🙂এখন তো সবাই ইন্টারে পড়ো। কোন একটা বিষয় সম্পর্কে দশ বারোটা সেনটেন্স লেখার এবিলিটি সবার আছে। থাকা উচিত। ওটাই দরকার।

🔰ধরো না পড়া একটা প্যারাগ্রাফ আসলো। লিখতে তো হবেই, কিভাবে লিখবা?🤔

💁প্রথমে ভুমিকা বা সুন্দর একটা স্টার্টিং দিবা। প্রথম সেন্টেন্স পড়েই যায়ে বুঝা যায় পুরো প্যারাগ্রাফের বিষয়বস্তু সম্পর্কে। আমাদের একটা ব্যাপার আছে। বানায়া কিছু লিখতে গেলেই সবাই কমন যেটা দিয়ে শুরু করি সেটা হলো..........  is very important in our country/ society / college এভাবে যাই আসুক আমরা শুধু দিস ইজ ইম্পরট্যান্ট লিখি। এসব এড়িয়ে চলবা। ভুমিকা অংশ টা প্রথম এক বা দুই বাক্য।

💁এরপর আসে মূল অংশ। তোমাকে যেই টপিক নিয়ে লিখতে বলা হবে সেটা সম্পর্কে যা যা জানো সেটা মাথায় সাজাও। কোন প্রবলেম নিয়ে লিখতে বলা হলে সেটার বর্ণনা দাও। এটা কিভাবে ঘটে, কেন ঘটে, কারন এসব দিয়ে পাঁচ সাতটা সেন্টেন্স লেখো। বর্ণনামুলক টপিক যেমন কোন দিবস বা কোন ফাংশন সম্পর্কে লিখতে হলে সেটার বর্ণনা দাও। এটা কখন শুরু হলো, সারাদিন কি করা হলো কখন শেষ হলো এসব। মোবাইল কম্পিউটার ইত্যাদি টেকনোলজি টাইপ কিছু হলে এটার পজিটিভ দিক, কি কি কাজে লাগে এবং নেগেটিভ দিক নিয়ে লেখো।

💁এরপর আসবে সমাপনী। এই অংশে দুই চারটা বাক্য এনাফ। একটা উপসংহার টানতে হবে। প্রবলেম ভিত্তিক প্যারাগ্রাফ হলে প্রবলেম টার কোন সলুশন লিখে অথরিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারো। বর্ণনা মূলক হলে একটা সামারির মাধ্যমে শেষ করতে পারো।

💠প্যারাগ্রাফ লিখার সময় চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হয়, সেগুলো হলো—👇👇👇👇👇

✅Completeness: প্যারাগ্রাফ লেখার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে, এতে যেন সব ধরনের তথ্যের উল্লেখ থাকে। নতুবা প্যারাগ্রাফটি সম্পূর্ণ হবে না। প্যারাগ্রাফ সম্পূর্ণ করার জন্য Supporting details , example, comparison এবং contrast-এর ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা তৈরি করতে হয়।

✅Unity of Thought: প্যারাগ্রাফের কোন বিষয়ে ধারণা তৈরি করার জন্য সব সময় প্রাসঙ্গিক তথ্যের সংযোজন করতে হয়। এমন কোনো তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না, যা প্যারাগ্রাফটির মূল ধারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। যা লিখবা সব টু দ্যি পয়েন্ট লিখতে হবে।

✅Order of Presentation : প্যারাগ্রাফ লেখার সময় লক্ষ্য রাখতে হয়, বাক্যগুলো যেন ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়। সঠিকভাবে বাক্য না সাজালে প্যারাগ্রাফ ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে। ধারণা তৈরির সময় কোন বাক্যটি কোন বাক্যের পরে লিখতে হবে খেয়াল রাখবা।

✅Coherence :  Coherence বলতে মূলত লিংকিং ওয়ার্ডের ব্যবহার বুঝাচ্ছি। Transitional words ব্যবহার করে অর্থগতভাবে একটি বাক্যকে অন্য একটি বাক্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করা যায়।
বর্ণনামূলক প্যারাগ্রাফ লেখার ক্ষেত্রে অধিক ব্যবহূত Transitional শব্দগুলো হচ্ছে—at first, next, after that, later on, then, finally, first, second, third ইত্যাদি। Descriptive প্যারাগ্রাফে ব্যবহূত লিঙ্কিং ওয়ার্ডগুলো মূলত প্রিপোজিশন হয়ে থাকে। এ জাতীয় প্যারাগ্রাফে ব্যবহূত প্রিপোজিশনগুলো হলো—to the left, to the right, on both sides, in front of, behind on top of, under, at the end, above next to ইত্যাদি।
Expository Paragraph-এ ব্যবহূত লিঙ্কিং ওয়ার্ডস linking words মূলত transitional. এ জাতীয় শব্দগুলো হলো—However, on the other hand, in fact, therefore, further more, finally, in conclusion, first, second, third ইত্যাদি। এ শব্দগুলোর মধ্যে কিছু কিছু অবশ্য বর্ণনামূলক প্যারাগ্রাফের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়।

💯তবে প্যারাগ্রাফ লেখার সময় পৃষ্ঠার ওপরে ও পাশে এক ইঞ্চি পরিমাণ জায়গা রেখে মার্জিন করতে হবে।

🔘আর হ্যা, প্যারাগ্রাফ অবশ্যই এক প্যারাতেই লিখতে হবে। 💯💯

সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।
Previous Post Next Post