পিল (pill) খাওয়ার নিয়ম | পিল খাওয়ার উপকারিতা | পিল খাওয়ার অপকারিতা

পিল খাওয়ার নিয়ম | পিল খাওয়ার উপকারিতা | পিল খাওয়ার অপকারিতা


আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক পাঠিকা সবাই কেমন আছেন?আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। প্রিয় পাঠকবৃন্দ  আজকে আমরা তোমাদের পিল খাওয়ার নিয়ম - পিল খাওয়ার উপকারিতা -পিল খাওয়ার অপকারিতা এই পোস্টে শেয়ার করবো। তোমরা যারা পিল খাওয়ার নিয়ম - পিল খাওয়ার উপকারিতা -পিল খাওয়ার অপকারিতা জানতে চাচ্ছো তোমাদের জন্য আজকের এই পোস্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


       
       

    পিল খাওয়ার নিয়ম 

    বন্ধুরা পিল অনেক রকমের আছে নিচে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু পিল খাওয়ার নিয়ম শেয়ার করলাম। আসা করি এই পিল গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সহ পিল খাওয়ার নিয়ম পেয়ে যাবেন।

    নরপিল পিল খাওয়ার নিয়ম

    ট্যাবলেটটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেবন করতে হবে যা অরক্ষিত যৌন মিলনের ১২ ঘণ্টার মধ্যে এবং কোনক্রমেই ৭২ ঘণ্টার পরে নয় মাসিকচক্রের যে কোন সময়ে নরপিল ১ সেবন করা যেতে পারে।

    ইমকন ১ ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম

    ইমকম -১ পিল খাওয়ার নিয়ম হলো অনিরাপদ সময়ে সহবাস করার ৭২ ঘন্টার মধ্যে সেবন করতে হবে । এর পর এর ঐষন আর কাজ করে না। এই পিল ১টা সেবন করে পিল খাওয়ার ৭২ ঘন্টার মধ্যে কয়েক বার সহবাস করতে পারবেন।


    আরো জানতে আমাদের ইমকন ১ নিয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল পড়তে পারেনঃ- Click Here to Read

    আই পিল (i-pill) খাওয়ার নিয়ম

    i-pill রেগুলার খাওয়ার বড়ি নয়। । আই পিল খাওয়ার নিয়ম হলো অনিরাপদ সময়ে সহবাস করার ৭২ ঘন্টার মধ্যে সেবন করতে হবে । এর পর এর ঔষন আর কাজ করে না। এই পিল ১টা সেবন করে পিল খাওয়ার ৭২ ঘন্টার মধ্যে কয়েক বার সহবাস করতে পারবেন।

    নোরিক্স ১ ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম

    ইমার্জেন্সি নোরিক্স  পিল খাওয়ার  নিয়ম হলো অনিরাপদ মিলনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে ১ টি নোরিক্স পিল সেবন করলে প্রেগন্যান্সি রোধ করা সম্ভব হয় । এটা শুধু ইমার্জেন্সি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা কোন এক মাসে ১ টি পিল সেবনের পর পরবর্তীতে পিরিয়ড না হওয়া পর্যন্ত আর একটি অর্থাৎ ২য় টি পিল উচিৎ নয়।  কেনো না এই নোরিক্স পিল ১ টা সেবন করার পর পিরিয়ড অনিয়মিতভাবে হতে থাকে, এই পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবেই প্রভাব ফেলে যা সেবন কারীর জন্য ক্ষতিকর তাই একটি পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা পিরিয়ড ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত আর একটি পিল খাওয়া অনুচিত তবে খেলেও প্রেগন্যান্সি রোধ করবে কিন্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবেই প্রভাব ফেলতে পারে। ইমার্জেন্সি পিল দাড়া বুঝায় যে ।ইমার্জেন্সি মানেই হলো জরুরী। অর্থাৎ আপনি হঠাৎ আপনার স্ত্রীর সাথে প্রটেকশন ব্যতীত মিলন করলেন সে ক্ষেত্রে এই ইমার্জেন্সি নোরিক্স পিল মিলনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে স্ত্রীকে খাওয়ালে প্রেগন্যান্ট হবে না। এটা শুধু জরুরী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এই পিল নিয়মিত ভাবে খাওয়া যাবে না। হ্যা নোরিক্স ইমার্জেন্সি পিল যা মিলনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে সেবন করা যায় অথবা ১ টি পিল সেবন করার পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে কয়েক বার মিলন করলে প্রেগন্যান্ট হবে না। আশা করি বুঝতে পারছেন।

    আরো জানতে আমাদের নোরিক্স ১ নিয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল পড়তে পারেনঃ- Click Here to Read

    পিউলি ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম

    এই পিলটি অরিক্ষিত মিলনের পরে সর্বোচ্চ ১ বার সেবন করতে হয়।
    মিলনের পরে যতো তারাতাড়ি সম্ভব সেবন করতে হয়ে। মনে রাখবেন কোনক্রমেই যেনো ৭২ ঘন্টা পার না হয়।
    মাসিক চক্রের যেকোন সময়ে এই পিল সেবন করা যায়।
    এই পিলটি বাজারের অন্যান্য ট্যাবলেটের মতো পানি দিয়ে মুখে দিয়ে গিলে ফেলতে হয়।

    আরো জানতে আমাদের পিউলি পিল নিয়ে আর্টিকেল পড়তে পারেনঃ- Click Here to Read

    ফেমিকন পিল খাওয়ার নিয়ম

    ফেমিকন খেতে মনস্থির করলে পরবর্তী মাসিক শুরু না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
    মাসিক শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকে তীর দিয়ে নির্দেশনা দেওয়া সাদা বড়ি থেকে খাওয়া শুরু করুন
    পরের দিন থকে প্রতিদিন একটা করে সাদা বড়ি সেবন করুন। মনে রাখবেন এই পিলটি প্রতিদিন এক সময়ে খাওয়া উচিত, তাই ভালো হয় প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে।
    ২১ দিনে ২১টি সাদা বড়ি সেবনের পরে বাদামী বড়ি খাওয়া শুরু করবেন।
    বাদামী রঙ এর বড়ি খাওয়াকালীন আপনার মাসিক শুরু হবে, এমতাবস্থায় বাদামী বড়ি খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।
    এই সময়ের মধ্যে মাসিক শুরু না হলে আপনি অন্তঃসত্তা কিনা তা টেস্ট করুন।
    ৭টি বাদামি পিল শেষ হলে আপনি নতুন ঠিক এইকই নিয়মে আরেকটি ফেমিকনের পাতা শুরু করতে পারেন।
    এভাবে আপনি যতদিন বাচ্চা নিতে না চান চালিয়ে যাবেন।

    আরো জানতে আমাদের ফেমিকন নিয়ে আর্টিকেল পড়তে পারেনঃ- Click Here to Read

    এই পিল ব্যবহারে কিছু সুবিধা আবার কিছু অসুবিধা রয়েছে। আসুন জেনে নিই গর্ভধারণ প্রতিরোধে পিল খাওয়ার উপকারিতা -পিল খাওয়ার অপকারিতা;-

    পিল খাওয়ার উপকারিতা

    • নিয়মিত পিল ব্যবহার করলে নারী দেহে বিভিন্ন ঝুঁকির অবসান ঘটে। 
    • এই পিল ব্যবহার করলে, ওয়ারিয়ান সিস্ট, অ্যানিমিয়া, আর্থারাইটিস, একটোপিক প্রেগনেন্সি, যৌনাঙ্গে প্রদাহজনিত রোগ ইত্যাদির সম্ভাবনা কমে যায়।
    •  এছাড়াও পিরিয়ড চলাকালীন অস্বস্তি, খিঁচুনি, যন্ত্রণা লাঘব করে।
    •  পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলেই স্বাভাবিক নিয়মে গর্ভধারণ সম্ভব।

    পিল খাওয়ার অপকারিতা


    যেসব অসুবিধা-

    ১. অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এই পিল খাওয়ার পর অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হয় না।
    ২. চর্ম ও যৌনরোগের সমস্যা হতে পারে।
    ৩. এই পিল খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে।
    ৪. স্তনে তীব্র ব্যথা হতে পারে।
    ৫. মাথাব্যথা হতে পারে।
    ৬. পরবর্তী মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

    কখন খাবেন?

    ১. কনডম ব্যবহার সঠিকভাবে না হলে।
    ২. জন্মনিরোধক বড়ি খেতে ভুলে গেলে।
    ৩. জোর করে অরক্ষিত সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হলে।

    কারা খাবেন না

    ১. কোনো নারী যদি ইতিমধ্যে গর্ভবতী হয়ে থাকেন।
    ২. প্রায়ই অরক্ষিত সম্পর্ক স্থাপন করেন।

    Tag:পিল খাওয়ার নিয়ম,  পিল খাওয়ার উপকারিতা, পিল খাওয়ার অপকারিতা


                                   
    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন