স্ত্রী সহবাসের নিয়ম | সহবাসের আগে ও পরে করণীয় | সহবাসের উত্তম সময়

You can easily download all types of PDF from our website for free.Only we share all types of updated PDF. If there is any problem to download our PDF file, you can easily contact us and solve it. So without delay download your desired PDF file immediately.


আরো দেখুন

 

স্ত্রী সহবাসের নিয়ম | সহবাসের আগে ও পরে করণীয় | সহবাসের উত্তম সময়

আসছালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকবৃন্ধ সবাই কেমন আছেন?আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। বন্ধুরা আজকে আমরা তোমাদের স্ত্রী সহবাসের নিয়ম -সহবাসের আগে ও পরে করণীয় - সহ*বাসের উত্তম সময় বিস্তারিত আলোচনা করবো। 


বন্ধুরা প্রতিটি কাজের একটা নিয়ম ও সময় রয়েছে। সেই রকম সহ*বাসের নিয়ম, সহ*বাসের আগে ও পরে করনীয়, সহবাসের উত্তর সময় ও রয়েছে। যা আমাদের পুরুষ ও মহিলা সবার জানা প্রয়োজন। 


       
       

    স্ত্রী স*হবাসের নিয়ম 


    বন্ধুরা স্ত্রী সহ*বাসের অনেক নিয়ম রয়েছে আমরা শুধুমাত্র ইসলামে যে নিয়ম রয়েছে সেটি তুলে ধরার চেষ্টা করবো। 


    1.  নিয়ত করা
    2. সহ*বাসের সময় আদর সোহাগ করা
    3. সহবাসের শুরুতে দোয়া করা
    4. ইসলামে সহ*বাসের পজিশন 
    5. যেভাবে সহবাস করা হারাম
    6. সহ*বাসের নিষিদ্ধ সময়

    নিয়ত করাঃ- নিয়ত মানে হচ্ছে ইচ্ছা পোষণ করা। আরবিতে বলা জরুরি নয়। মনে মনে নিয়ত করলেই হবে।

    সহ*বাসের সময় আদর সোহাগ করাঃ-ইসলামে সহবাসের সময় স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে আদর করার কথা বলা হয়েছে। হাদিসে এই আদর সোহাগের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। যৌ*ন মিল*নকে মধুর করতে যত উপায় আছে যেকোনভাবে তা করা যাবে। স্বামী চুম্বন, আলিঙ্গন, মর্দন ইত্যাদির মাধ্যমে স্ত্রীকে আদর করবে। তেমনি স্ত্রীও স্বামীকে আদর-সোহাগ করবে। এক্ষেত্রে উভয়ের Response বা সাড়া দেওয়া খুবই জরুরী। একে অপরকে মিলনের জন্য আগ্রহী করে তুলবে।

    সহ*বাসের শুরুতে দোয়া করাঃ-বন্ধুরা শয়তান আমাদেরকে কুমন্ত্রণা দেওয়ার জন্য সব সময় লেগেই আছে। তাই শয়তানকে বিতারিত করতে সহবাসের আগে ও পরে দোয়া রয়েছে পড়ে নিবেনঃ- সহবাসের দোয়া পড়তে ক্লিক করুন


    ইসলামে সহ*বাসের পজিশনঃ- পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেনঃ-

    نِسَآؤُکُمۡ حَرۡثٌ لَّکُمۡ ۪ فَاۡتُوۡا حَرۡثَکُمۡ اَنّٰی شِئۡتُمۡ ۫ وَ قَدِّمُوۡا لِاَنۡفُسِکُمۡ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰہَ وَ اعۡلَمُوۡۤا اَنَّکُمۡ مُّلٰقُوۡہُ ؕ وَ بَشِّرِ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ

    অর্থ- তোমাদের স্ত্রী তোমাদের ফসলক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের ফসলক্ষেত্রে গমন কর, যেভাবে চাও। আর তোমরা নিজদের কল্যাণে উত্তম কাজ সামনে পাঠাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে । আর মুমিনদেরকে সুসংবাদ দাও।(সূরা বাক্বারা-২২৩)

    সহবাসের পদ্ধতি সম্পর্কে সরাসরি কোন বিধি নিষেধ নেই। দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে, কাত হয়ে, সামনে থেকে, পিছন থেকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সহবাস করা যাবে। তবে শর্ত হচ্ছে তা যৌ*নিপথে করতে হবে।

    কিছু বর্ণনায় স্বামী উপরে আর স্ত্রীকে নিচে থাকার কথা বলা হয়েছে। ইহা সুবিধাজনক ও প্রশান্তিদায়ক এবং উত্তম। তবে বাধ্যতামূলক নয়। আর স্ত্রী যদি উপরে থাকে আর স্বামী যদি নিচে থাকে এতে গুনাহের কিছু নেই। কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে এই পজিশনে বী*র্যপাত হলে বী*র্য আটকে কষ্টের কারণ হতে পারে।


    যেভাবে সহ*বাস করা হারামঃইসলামে স্ত্রীর সাথে পায়ুপথে সহবাস করা হারাম করেছে। হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি মলদ্বারে স*ঙ্গম করে আল্লাহ তার দিকে দয়ার দৃষ্টিতে তাকান না।’ পায়ুপথ বা মলদ্বারে সহ*বাস করে ফেললে গোনাহগার হবে। এইজন্যে তওবা করতে হবে। এছাড়াও পায়ুপথে সহ*বাস করলে রোগ ব্যাধি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


    সহবা*সের নিষিদ্ধ সময়:- 

    1. রোজা রাখা অবস্তায়
    2. স্ত্রী মাসিকের সময়
    3. ইত্তেকাফের সময়,
    4. হজ্জের ইহরাম বাঁধা অবস্থায়,
    5. স্ত্রীর গর্ভপাতের ৪০ দিন সময় পর্যন্ত

     সহ*বাসের আগে ও পরে করণীয় 


     স্ত্রীর মিল*নের আগে স্বামীর কর্তব্য


     স্ত্রীর মিল*নের আগে স্বামীর কিছু কর্তব্য থাকে যা আপনার সহবাসকে আরো তৃপ্তি দিতে পারে। সেরকমই বিষয় তুলে ধরা হলো-


     ১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।


     ২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।


     ৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে স*হবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।


     ৪। নারী ধীরে ধীরে আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।


     ৫। নারী কখনও নিজের যৌ*ন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।


     ৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।


     ৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহ*বাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।


     ৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।


     ৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।


     ১০। নারীর উত্তে*জনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।


     সহ*বাসের পরে যা করনীয়


     সহ*বাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহ*বাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় সহবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়।

    সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরু*ষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পুরু*ষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত। সহ*বাসের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।

     ১। সহ*বাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।

     ২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌ*নাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।

     ৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।

     ৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠাণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শরীরের মঙ্গল করে।

     ৫। প্রয়োজন হলে কোন পেটেন্ট ঔষধ সেবন করা যাইতে পারে।

     ৬। সহ*বাসের পর ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে সহবাস বাঞ্ছনীয় নয়।

     ৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্রফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খারাপ থাকে, কর্মে একঘেয়েমি আসতে পারে।

     ৮। সহ*বাস প্রারম্ভে বা শেষে নেশা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষতি হয়-প্রেম দূরে যায়-মানসিক অসাড়তা আসতে পারে।

     ৯। রাত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই সহ*বাসের পক্ষে উৎকৃষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।

     ১০। সহ*বাসের পর অধিক রাত্রি জাগরণ, অধ্যয়ন, শোক প্রকাশ, কলহ কোন দুরূহ বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মানসিক কোন উত্তেজনা ভাল নয়।


     সহ*বাসের উত্তম সময়

     স্ত্রী সহ*বাসের উপযুক্ত সময়


     স্ত্রী সহ*বাসের উপযুক্ত সময় শেষ রাত্রি । যেহেতু শেষ রাত্রে ভুক্ত খাদ্য ভাল রূপ হজম হওয়া পর শরীর যখন ঠিক হয়, তখন যদি অন্তঃকরণের সরলতা ও পবিত্রতা রক্ষা করিয়া একাগ্র মনে স্বামী -স্ত্রী মিলন হয়, তাহা হইলেই অধিকতর তৃপ্তি লাভ করিতে পারে।


     সেই রাত্রের সহ*বাসে স্বাস্হ্যবান সন্তানের জম্ম হয়। প্রমান পাওয়া যায়, শেষ রাত্রের সহ*বাসের সন্তান ধার্মিক, সাধু ও আওলিয়া- দরবেশ হইয়াছে।


     স্বামী-স্ত্রীর জন্য কখন, কোন সময়ে সহ*বাস করা উচিত সে বিষয়ে জানা থাকা দরকার। অবশ্য যৌ*নবিদদের কথায় অনেকেরই অমিল পাওয়া যায়।


     কেউ বলেন রাতের শেষ ভাগে সহ*বাস আনন্দদায়ক। আবার কেউ বলেন, রাতের প্রথম ভাগে সহ*বাস করা তৃপ্তিদায়ক।


     তবে এই কথা সকলের মনে রাখা উচিত যে, ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করা ঠিক নয়। তাতে রোগ-ব্যাধির সম্ভাবনা থাকে।


     খাওয়ার পরে অন্তর দুই ঘন্টার ভিতরে সহবাস করা ঠিক হবে না। স্ত্রীলোকের ঋতুস্রাব হতে পাক পবিত্র হওয়ার পরে ১৪/১৫ দিন পর্যন্ত সহ*বাসের প্রবল বাসনা থাকে। ঐ সময়ের সহবাসে গর্ভ সঞ্চার হয়ে থাকে।


     বেশীরভাগ লোকের ধারণা, শেষ রাতে নারীদের কাম-বাসনা প্রবল থাকে এবং ঐ সময়ের সহ*বাসে স্বামী-স্ত্রী বেশী আনন্দ ও তৃপ্তি পেয়ে থাকে। দিনের বেলা সহ*বাস না করে রাতে সহ*বাস করা উচিত। যেহেতু রাতের অন্ধকারে মনের মতো সাধ মিটাতে পারা যায় এবং ঐ সময়ের সহ*বাসে প্রায়ই ছেলে সন্তান জম্মে থাকে।


    স্ত্রীর স্তন মুখে নেওয়া যাবে কি?

     উত্তরঃ-জায়েয, তবে স্ত্রীর স্তনে যদি দুধ থাকে তাহলে স্বামীকে সর্তক থাকতে হবে, যেন দুধ মুখে না আসে।

     যদি দুধ মুখে আসার আশঙ্কা থাকে সে ক্ষেত্রে চোষন থেকে বিরত থাকা উচিত।

     (মাহমূদিয়া কাদিম ১২/৩১০, শামী ১/৩১)


    টাগঃস্ত্রী সহ*বাসের নিয়ম, সহ*বাসের আগে ও পরে করণীয়,সহ*বাসের উত্তম সময়

                                   
    Previous Post Next Post


    Any business enquiry contact us

    Email:- Educationblog24.com@gmail.com

     



    Any business enquiry contact us

    Email:- Educationblog24.com@gmail.com

    (সবচেয়ে আগে সকল তথ্য,গুরুত্বপূর্ণ সকল পিডিএফ, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Facebook এবং Telegram পেজ)