বিয়ের উপকারিতা কী | বিয়ে করলে কি হয়

বিয়ের উপকারিতা কী | বিয়ে করলে কি হয়

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকবৃন্দ বন্ধুরা। Educationblog24.Com এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। প্রিয় পাঠকবৃন্দ আজকের এই পোস্টের দ্বারা আপনারা মাঝে নিয়ে হাজির হলাম বিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। 

বিয়ে সবার জীবনের পরবর্তী ধাপ। বিয়ে করা হলো ফরজ কাজ কিন্তু সেটা প্রাপ্তবয়সে। আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন বিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে। আপনারা অনেকেই এই বিয়ে করার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ইন্টারনেটের মাধ্যমে খোজাখোজি করছেন। তাই আমরা আপনাদের সুবিধার জন্য এই পোস্টে শেয়ার করবো বিয়ের উপকারিতা কী, বিয়ে করলে কি হয়। আশা করি আমাদের পোস্টে দেওয়া তথ্য থেকে আপনাদের অনেক উপকার হবে। 


       
       

    বিয়ের উপকারিতা কী  

    বিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু কথা আলোচনা করা হলো—

    ★বিয়ে মানুষকে সংসারী করে। ফলে পুরুষরা দায়িত্বসচেতন ও কর্মমুখী হয়। ভোগের মানসিকতা দূর হয়। তদ্রূপ নারীরাও দায়িত্বসচেতন ও বাস্তবমুখী হয়।

    ★বিয়ের দ্বারা রিজিকে বরকত ও জীবনে প্রাচুর্য আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা বিয়ে করো, স্ত্রীরা স্বীয় ভাগ্যে তোমাদের কাছে সম্পদ টেনে আনবে।’ (মুসনাদে বাজ্জার, হাদিস : ১৪০২)

    ★নারী-পুরুষ উভয়ের মানসিক স্বস্তি, তৃপ্তি ও প্রফুল্ল অর্জন হয়, যা বিয়ে ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সম্ভব নয়।

    ★নবীজি (সা.)সহ সব নবীর একটি মহৎ সুন্নতকে বাস্তবায়ন করা হয়।

    ★সৃষ্টিগত ও স্বভাবজাত যৌনচাহিদা পূরণের বৈধ ও নিরাপদ ব্যবস্থা বিয়ে।

    ★গুনাহ ও পাপাচার থেকে নিজেকে সংবরণ করার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের ঈমান, ইসলাম ও সতীত্ব রক্ষা করতে পারে।

    ★নারীর সম্মানজনক জীবন-জীবিকা সহজ হয়। 

    ★নারী-পুরুষ উভয়েরই পরিপূরক জীবন সম্ভব হয়। 

    ★যেনা ব্যাভিচার থেকে ফিরে থাকা যায়, যুবক বয়সেই আল্লাহ পাকের খুব প্রিয় হওয়া যায় এবং ইবাদতে স্বাদ পাওয়া যায় আজে বাজে চিন্তা থাকে না।

    ★বিয়ের মধ্যে আল্লাহর বরকত আছে। বিবাহিত জীবনের জন্য আল্লাহর এই বরকত পুরো জীবনটাই মঙ্গলজনক। 

    ★বিয়ের মাধ্যমে অসৎ কাজ নেশাগ্রস্ত জীবন থেকে দূরে থাকা যায়। 


    বিয়ে করলে কি হয়

    বিয়ে সবার জীবনের জন্য কাম্য। বিয়ের মাধ্যমে একটা নতুন প্রজন্ম আশার উদ্ভব ঘটে। বিয়ে সম্পর্কে ইসলামে ধর্মে বলা হয়েছে, তোমরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে বিবাহ সম্পূর্ণ করো। প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আল্লাহু তায়ালার। আর আমাদের সমাজে বলা হয় আগে প্রতিষ্ঠিত হও তারপর বিবাহ সম্পূর্ণ করো। বাংলাদেশে বিবাহের সঠিক বয়স ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর। 

    আমাদের পরবর্তী জীবনটা সুন্দর এবং ভবিষ্যতে প্রজন্মকে আনার জন্য বিবাহ করাটা জরুরি বিষয়। তারপর বিবাহিত জীবনের মধ্যে আল্লাহর তায়ালার বরকত থাকে, ফলে বাকি জীবনটা মঙ্গলজনক হয়। বিবাহের পরবর্তী জীবনে মানুষের অসলতা দূর হয় এবং মানুষ বিশেষ করে ছেলেরা কর্মমুখী হয়ে উঠে। বিবাহ সম্পূর্ণ করার পরে মানুষের যে যৌনচাহিদা টা থাকে সেটা সম্পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে মানুষ যিনার হাত থেকে বেচে থাকতে পারে। ছেলেরা বিয়ে পরে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয় এবং মেয়েরা হয় সংসারী। মানুষ নেশাগ্রস্ত বিভিন্ন ব্যভিচার অনৈতিক কাজ থেকে দূরে সরানো সম্ভব হয়। মানসিক শান্তি এবং সুন্দর সুশীল জীবন ধারন করা যায়। বিভিন্ন সুস্থতা অসুস্থতা, বিপদ - আপদের সঙ্গী হিসেবে একজন পাওয়া যায়। সঠিক সময় প্রাপ্তবয়সে বিবাহ সম্পূর্ণ করাটাই উত্তম কাজ। 


    Tag: বিয়ের উপকারিতা কী, বিয়ে করলে কি হয়

                                   
    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন  

     

    আপনার নামের অর্থ জানতে ক্লিক করুন