এসএসসি ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর/সমাধান ভূগোল ও পরিবেশ (এসাইনমেন্ট -৩) | ২০২১ সালের এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর | এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর ২০২১


    এসএসসি ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর/সমাধান ভূগোল ও পরিবেশ (এসাইনমেন্ট -৩)  


    ২০২১ সালের এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর  


    শিরােনাম : রকি , ফুজিয়ামা ও ব্লাকফরেষ্ট পর্বত এবং বাংলাদেশের মধুপু চত্তর ও ব - দ্বীপ গঠন প্রক্রিয়ার উপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন ।


    ‘ ক ’ নং প্রশ্ন : ভূপৃষ্টের পরিবর্তন প্রক্রিয়া ।


    ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন প্রক্রিয়া ( Changing process of the earth surface ) 

    ভূপৃষ্ঠ সর্বদা পরিবর্তনশীল । নানাপ্রকার ভূপ্রক্রিয়া ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সাধন করে । যে সমস্ত কার্যাবলির কারণে প্রাকৃতিকভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয় তা ভূপ্রক্রিয়া । যেমন- নদী অবক্ষেপণের মাধ্যমে প্লাবন ভূমি গড়ে তুলছে । এখানে নদী অবক্ষেপণ একটি প্রক্রিয়া । ভূপ্রক্রিয়া তার কার্য সাধনের জন্য নানাপ্রকার প্রাকৃতিক শক্তির সাহায্য নেয় । যেমন- মাধ্যাকর্ষণ , ভূতাপীয় শক্তি এবং সৌরশক্তি । এ সমস্ত শক্তির সাহায্যে ভূপ্রক্রিয়া ভূপৃষ্ঠের কোথাও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনে , আবার কখনাে কখনাে খুব দ্রুত পরিবর্তন সাধন করে । সাধারণভাবে বহিঃশক্তির ( যেমন - সৌরশক্তি ) সঙ্গে জড়িত ভূপ্রক্রিয়া ভূপৃষ্ঠে ধীর পরিবর্তন আনে । সুদীর্ঘ সময় ধরে ভূপৃষ্ঠে এই পরিবর্তন চলে বিধায় একে ধীর পরিবর্তন বলে । ধীর পরিবর্তন সাধারণত দুটি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয় । যেমন - নগ্নীভবন ও অবক্ষেপণ । অপরদিকে অন্তঃশক্তির ( যেমন ভূমিকম্প ) সঙ্গে জড়িত ভূপ্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠে দুত পরিবর্তন সাধিত হয় । নিচে ভূত্বকের পরিবর্তন সাধনকারী ভূপ্রক্রিয়াসমূহের একটি ছক দেওয়া হলাে ।


    ধীর পরিবর্তন : ধীর পরিবর্তন হলাে আকস্মিক পরিবর্তনের একেবারেই বিপরীত অবস্থা । অনেকগুলাে প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- সূর্যতাপ , বায়ুপ্রবাহ , বৃষ্টিপাত , নদী , হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা যে পরিবর্তন ধীরে ধীরে সংঘটিত হয় তাকে ধীর পরিবর্তন বলে । এই ধীর পরিবর্তন বিশাল এলাকা জুড়ে হয়ে থাকে । 

    আকস্মিক পরিবর্তন : পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ এখনও উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় রয়েছে । এসব উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলােড়ন ঘটে তাকে ভূআলােড়ন বলে । এ ভূআলােড়নের ফলেই ভূপৃষ্ঠের বেশিরভাগ পরিবর্তন হয়ে থাকে । বিভিন্ন ভূমিরূপ গঠনকারী শক্তির প্রভাবে ভূগর্ভে সর্বদা নানারূপ পরিবর্তন হচ্ছে । আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত , ভূকম্পন , পৃথিবীর অভ্যন্তরের সংকোচন , ভূগর্ভের তাপ ও অন্যান্য প্রচণ্ড শক্তির ফলে ভূপৃষ্ঠে হঠাৎ যে পরিবর্তন সাধিত হয় , তাকে আকস্মিক পরিবর্তন বলে । এরূপ পরিবর্তন খুব বেশি স্থান জুড়ে হয় না । আকস্মিক পরিবর্তন সংঘটিত হয় প্রধানত ভূমিকম্প , সুনামি ও আগ্নেয়গিরি দ্বারা ।


    ‘ খ ’ নং প্রশ্ন : ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক পরিবর্তনের কারণ । 

    উত্তর : আমরা জানি পৃথিবীর আকস্মিক পরিবর্তনের জন্য তিনটি প্রধান ভূমিরুপের সৃষ্টি হয় । তা হলাে- পর্বত , মালভূমি এবং সমভূমি । এসব ভূমিরূপ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- সূর্যতাপ , বায়ু , বৃষ্টি , নদী প্রভৃতি দ্বারা খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে নতুন ভূমিরূপে পরিণত হয় । এই পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে ধীর পরিবর্তন বলে । এতে সূর্যতাপ , বায়ু , বৃষ্টি , নদী প্রভৃতি শক্তি খুব ধীরে ধীরে ভূত্বকের ক্ষয়সাধন করে থাকে । ফলে ত্বকের উপরিস্থিত শিলা ভেঙে চুর্ণ - বিচূর্ণ হয় । এই শিলা অপসারিত হয় , আবার নতুন করে শিলা চূর্ণ - বিচূর্ণ হয় । এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে । যেসব প্রক্রিয়ায় ভূমিরূপের ধীর পরিবর্তন হচ্ছে তাদেরকে প্রধানত চারটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায় । 

    ( ক ) বিচূর্ণীভবন ও ক্ষয়ীভবন ( Weathering and ErosioMY 

    ( খ ) অপসারণ ( Transporation ) 

    ( গ ) নগ্নীভবন ( Denudation ) 

    ( ঘ ) অবক্ষেপণ ( Deposition )


    ( ক ) বিচূর্ণীভবন ও ক্ষয়ীভবন : শিলারাশির চূর্ণ - বিচূর্ণ ও বিশ্লিষ্ট হওয়া কিন্তু স্থানান্তর না হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে । সাধারণত প্রাকৃতিক কারণে শিলা চূর্ণ - বিচূর্ণ হয় । বায়ুপ্রবাহ , নদীস্রোত ও হিমবাহ দ্বারা শিলা ক্ষয়সাধন হয় । যে প্রক্রিয়ায় শিলাখন্ড স্থানান্তরিত হয় তাকে ক্ষয়ীভবন বলে । 


    ( খ ) অপসারণ : নদীস্রোত , বায়ুপ্রবাহ ও হিমবাহ প্রভৃতি শক্তির দ্বারা চূর্ণ - বিচূর্ণ পদার্থগুলাে স্থানান্তরিত হয় । একে অপসারণ বলে । 


    ( গ ) নগ্নীভবন : বিচূর্ণীভবনের সময় শিলা চূর্ণ - বিচূর্ণ হয় । ক্ষয়ীভবন দ্বারা ঐ শিলা অপসারিত হলে নিচের অবিকৃত শিলাগুলাে নগ্ন হয়ে পড়ে । এরূপ কার্যকে নগ্নীভবন বলে । 


    ( ঘ ) অবক্ষেপণ : বায়ুপ্রবাহ , নদীস্রোত , হিমবাহ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে নানা স্থান থেকে ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাগুলাে যে প্রক্রিয়ায় কোনাে একস্থানে এসে জমা হয়ে নতুন ভূমিরুপের সৃষ্টি করে তাকে অবক্ষেপণ বলে । যেসব প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ক্ষয়ীভবনের মধ্য দিয়ে ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয় তাদের মধ্যে বায়ু , বৃষ্টিপাত , নদী , হিমবাহ প্রভৃতি প্রধান । এদের ক্ষয়কার্য নিয়ে আলােচিত হলাে :


    বায়ুর কাজ : বায়ুতে থাকা অক্সিজেন , কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয়বাষ্প রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলার বিচ্ছেদ ও ক্ষয়সাধন করে । বায়ুর ক্ষয়কার্য মরুভূমিতে অধিক দেখা যায় । মরু এলাকা শুষ , প্রায় বৃষ্টিহীন এবং গাছপালা শূন্য । মরু এলাকায় গাছপালা কম থাকার কারণে মৃত্তিকা সুদৃঢ় নয় । এছাড়া দিনের বেলায় সূর্যের তাপে এবং রাতের শীতলতায় শিলার সংকোচন ও প্রসারণের ফলেও সংবধতা শিথিল হয়ে যায় । এরপর বায়ুপ্রবাহের আঘাতে এ অঞ্চলের শিলা সহজেই বাহিত হয়ে ধীর পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষয়সাধন করে । 


    বৃষ্টির কাজ : বৃষ্টির পানি ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ভূপৃষ্ঠকে ব্যাপকভাবে ক্ষয় করে । প্রবাহিত হওয়ার সময় পানি শিলাকে আংশিকভাবে ক্ষয় ও আলগা করে এবং ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাকে প্রসারিত করে । বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে কর্ষিত জমির মাটি বৃষ্টির পানির দ্বারা অপসারিত হয় । আবার পর্বতের মধ্যে কর্দম স্তরের উপর অনেক ভারী শিলা হেলানাে অবস্থায় থাকে । পর্বতের ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করে কাদার স্তরকে গলিয়ে দেয় , এতে বড় শিলার কাদার উপর থাকতে না পেরে নিচে ধসে পড়ে । একে ভূমিধস বলে । এভাবে অনেকদিন ধরে শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সাধিত হয় । 


    হিমবাহের কাজ : হিমবাহের দ্বারাও ভূপৃষ্ঠের কোনাে কোনাে অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষয় হয়ে থাকে । হিমবাহের নিচে নামার সময় এর নিচের প্রস্তরখণ্ড পর্বতগাত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেক দূরে গিয়ে পতিত হয় । পর্বতগাত্রের মধ্যে ছিদ্র যদি থাকে তাহলে তার ভিতর পানি প্রবেশ করে বরফে পরিণত হয়ে প্রস্তরগুলােকে আলগা করে দেয় । ফলে হিমবাহের চাপে এটি পর্বতগাত্র থেকে খুব সহজেই পৃথক হয়ে যায় । এই হিমবাহ অনেকদিন ধরে ধীরে ধীরে হয় বলে এটি ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তনের একটি উদাহরণ ।


    নদীর কাজ : যেসব প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠে প্রতিনিয়ত ধীর পরিবর্তন করছে তাদের মধ্যে নদীর কাজ অন্যতম । নদী যখন পর্বতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন স্রোতের আঘাতে বাহিত নুড়ি , কর্দম প্রভৃতির ঘর্ষণে নদীগর্ত ও পার্শ্বক্ষয় হয় । পার্বত্য অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ বেশি থাকে । এতে নদী নিচের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং কোনাে সঞ্চয় হতে পারে না । যখন নদী সমভূমিতে আসে তখন নদী ক্ষয় এবং সঞ্চয় দুটোই করে । নদীর চলার পথে যেখানে নরম শিলা পাবে নদী ঠিক সেদিক দিয়ে ক্ষয় করে অগ্রসর হয় । ক্ষয়কৃত নরম শিলা অবক্ষেপণ করে বিভিন্ন ভূমিরূপ গঠন করে । এভাবে নদী ক্ষয় ও সঞ্চয় করতে করতে সমুদ্রে গিয়ে পড়ে । অনেকদিন ধরে এভাবে ক্ষয় ও সঞ্চয় কাজ চলে বলে একে নদীর দ্বারা ধীর পরিবর্তন বলে ।


    ‘ গ ’ নং প্রশ্ন : পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য । 

    উত্তর : ভূপৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয় । এর আকৃতি , প্রকৃতি এবং গঠনগত বেশ কিছু পার্থক্য আছে । ভূমির এই অকৃিতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে । ভূপৃষ্ঠের কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত , কোথাও সমতল , কোথাও পাহাড় , কোথাও মালভূমি । এছাড়া বিভিন্ন স্থানের উচচতা , বন্ধুরা এবং ঢালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে । ভৌগােলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে- 

    ( ১ ) পর্বত , 

    ( ২ ) মালভূমি , 

    ( ৩ ) সমভূমি । 


    পর্বত( Mountains ) 

    সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাপকে পর্বত বলে । সাধারণত ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলপিকে পাহাড় বলে । পর্বতের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েক হাজার মিটার হতে পারে । পর্বতের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর , ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়াবিশিষ্ট হয় । কোনাে কোনাে পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে । যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারাে । আবার কিছু পর্বত অনেকগুলাে পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে । যেমন- হিমালয় পর্বতমালা ।







    ( গ ) মহাদেশীয় মালভূমি : সাগর বা নিমভূমি পরিবেষ্টিত বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বলে । এ ধরনের মালভূমির সঙ্গে পর্বতের কোনাে সংযােগ থাকে না । স্পেন , অস্ট্রেলিয়া , সৌদি আরব , গ্রিনল্যান্ড , এন্টার্কটিকা এবং ভারতীয় উপদ্বীপ এর অন্যতম উদাহরণ । সমভূমি ( Plains ) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে । বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী , হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয় । মৃদু ঢাল ও স্বল্প বধুরতার জন্য সমভূমি কৃষিকাজ , বসবাস , রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য খুবই উপযােগী । তাই সমভূমিতে সবচেয়ে ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে । উৎপত্তির ধরনের ভিত্তিতে সমভূমিকে প্রধানত দুই কতই ভাগে ভাগ করা ভাগ করা যায় যেমন- ক্ষয়জাত সমভূমি ও সঞ্চয়জাত সমভূমি । 

    ক্ষয়জাত সমভূমি ( Erosional plains ) : বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির যেমন- নদীপ্রবাহ , বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনাে উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয় । অ্যাপলেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি , ইউরােপের ফিনল্যান্ড ও সাইবেরিয়া সমভূমি এ ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি । বালাদেশের মধুপুরের ত্বর ও বরেন্দ্রভূমি দুটি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ । 

    সঞ্চয়জাত সমভূমি ( Depositional plains ) : নদী , হিমবাহ , বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা পলি , বালুকণা , ধূলিকণা কোনাে নিম অঞ্চলে সঞ্চিত হয়ে কালক্রমে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাকে সঞ্চয়জাত সমভূমি বলে । এ ধরনের সঞ্চয়জাত সমভূমি পার্বত্য অঞ্চল থেকে শুরু করে সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত যে কোনাে অবস্থানে সৃষ্টি হতে পারে । যেমন - নদীর পলি অবক্ষেপণের মাধ্যমে সৃষ্ট প্লাবন সমভূমি , নদীর মােহনার কাছাকাছি এসে নদী সঞ্চয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ব - দ্বীপ , শীতপ্রধান এলাকায় হিমবাহের গ্রাবরেখা দ্বারা সঞ্চয়কৃত পলি থেকে গড়ে ওঠা হিমবাহ সমভূমি ।


    এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর ২০২১ Pdf


                            Click Here To Download 


    Tag: এসএসসি ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর/সমাধান ভূগোল ও পরিবেশ (এসাইনমেন্ট -৩),  ২০২১ সালের এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর,  এসএসসি ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট সমাধান/উত্তর ২০২১ Pdf

    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন