সংরক্ষণে ব্যবহার্য চিনির সিরা ও লবণের দ্রবণ প্রস্তুত প্রণালী | এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (এসাইনমেন্ট ৪) | ২০২১ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (২য় পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান


    এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (এসাইনমেন্ট ৪)  


    সংরক্ষণে ব্যবহার্য চিনির সিরা ও লবণের দ্রবণ প্রস্তুত প্রণালী


    প্রক্রিয়াজাতকরণ : এটি এক ধরনের সংরক্ষণ । যে পদ্ধতির মাধ্যমে ফল ও সবজির আকৃতি , প্রকৃতি , অবয়ব পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ভৌত ও রাসায়নিক পদ্ধতি প্রয়ােগ করে সংরক্ষণ করা হয় তাকে প্রক্রিয়াজাত সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণ বা প্রসেসিং বলে । যেমন - চিনির সিরায় আমের টুকরা সংরক্ষণ । টমেটো গাছ থেকে তােলার অল্প কয়েক দিনের মধ্যে পচে যায় । আর যদি প্রসেসিং করে টমেটো সস বা কেচাপ তৈরি করে সম্পূর্ণ বায়ুরােধী করে বােতলজাত করা যায় , তবে তা অনেকদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায় ও এর গুণগত মানও বেড়ে যায় । 


    প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হলাে : 

    ১। ফল ও সবজির জীবনীশক্তি সম্পূর্ণ লােপ পাওয়া । 

    ২। ফল ও সবজি জড় বস্তুতে পরিণত হওয়া । 

    বাংলাদেশের ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের সম্ভাবনা প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও বাজারজাতকরণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেভাবে এগিয়ে গেছে । সে তুলনায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে । তবে আশার কথা যে ইদানীং কিছু কিছু ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠেছে বা গড়ে ওঠার চেষ্টা করছে । যেমন- রাজশাহীতে প্রাণ কোম্পানির আম প্রক্রিয়াজাত শিল্প , মুন্সীগঞ্জে ও জয়পুরহাটে ইতালির ফ্লেমিংগাে নামক কোম্পানি আলু থেকে পটেটো ফ্লেক্স তৈরি করছে । এছাড়াও ছােট আকারে বহু প্রতিষ্ঠান দেশে ও বিদেশে ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করছে । ক্যানিং করা ফল ও সবজি এবং আলু হতে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিদেশে রপ্তানির যথেষ্ট সুযােগ রয়েছে । বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখযােগ্য হারে যেসব পণ্য উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে কী ধরনের প্রক্রিয়াজাতকৃত খাদ্য তৈরি হতে পারে তা নিচের ছকে দেখানাে হলাে :


    চিনির সিরা 

    চিনির সংরক্ষণ ধর্ম প্রপের ঘনত্বের ওপর নশীল । কোন খাদ্য দ্রব্য চিনির পরিমাণ ৬৫ % বা এর অধিক এবং অন্ত্রের পরিমাণ ০.৬ % এ উন্নীতরা যাবে তা দীর্ঘকালীন সক্ষণ যোগ্যতা লাভ করে । চিনির যন প্রবণফল ও সবজির অনুঞ্জীবের কোষের অভ্যন্তরের জলীয় অংশ বের করে নিয়ে আসে । এভাবে অভিবদের মাধ্যমে অপুঞ্জীবের জলীয় অংশ বের হয়ে অণুজী মারা যায় । স্কোয়াশ , মােরব্বা , আমি , জেলি প্রভৃতি চিনি যারা সাক্ষপা হয় । চিনির সিরা তৈরিতে সমপরিমাণ চিনি ও সমপরিমাণ পানি মিশ্রিত করে জাল দিতে । জল ফুট উঠলে সামান্য সূলে পানি মিশিয়ে ফুটন্তু সে ছিটিয়ে পাশ থেকে গাদ তুলে ফেলতে হয় । পাল তোলা হয়ে গেলেই মৃদু জাল দিয়ে অল্প নাড়াচাড়ালেই এটি পাতলা আঠার মতাে হবে । এনে ভিন্নক্সি ঘনত্বের সিরা তৈরি হয় । এই চিনির সিরা পানির সাথে মিশ্রিত করে দ্রবণের ঘনত্ব বাড়ানাে কমানো হয় । এক্ষেত্রে একবারে সব চিনি ব্যবহার না করে ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ বাড়ানো হয় যাতে চিনির ঘনত্ব সল্প ফলের টুকরাতে সমানভাবে থাকে , তা না হলে স্বাদে গন্ধে , বর্ণের দিক দিয়ে খাদ্য নিম্নমানের হয় । চিনির প্রবণের ঘনত্ব বা টোটাল সলুলসলিডস রিফ্লাক্টোমিটার যন্ত্র (চিত্র ) দ্বারা পরিমাপ করা যায় ।



    ২০২১ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (২য় পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান



    Tag: এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (এসাইনমেন্ট ৪) | ২০২১ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৭ম সপ্তাহের এগ্রোবেসড ফুড-২ (২য় পত্র) এসাইনমেন্ট সমাধান, সংরক্ষণে ব্যবহার্য চিনির সিরা ও লবণের দ্রবণ প্রস্তুত প্রণালী

    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন