এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১) | ২০২১ সালের এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)


    ২০২১ সালের এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)


    শিরোনামঃ পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
    সমাধানঃ

    সূচনাঃ 
    নাগরিক ও নগর জীবনের সাথে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলাে পৌরনীতি । কারণ পৌরনীতি হলাে এমন একটি বিজ্ঞান যেখানে নাগরিক ও নগর জীবনের প্রত্যেকটা বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । পৌরনীতির জ্ঞান ছাড়া নাগরিক জীবন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয় ।

    পৌরনীতির ধারণা ও সংজ্ঞাঃ 
    ইংরেজি সিভিক্স ' ( Civics ) শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ পৌরনীতি ’ সিভিকস ’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ সিভিস ’ ( Civis ) এবং সিভিটাস ( Civitas ) থেকে । সিভিস ’ এবং সিভিটাস ’ শব্দের অর্থ যথাক্রমে নাগরিক ও নগররাষ্ট্র ( City State ) । সুতরাং শব্দগত অর্থে সিভিকসবা পৌরনীতি হলাে নগররাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের আচরণ ও কার্যাবলি সংক্রান্ত বিজ্ঞান । প্রাচীন ভারতবর্ষ ও গ্রিসে শব্দগত বা মূলগত অর্থেই পৌরনীতি বলতে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত বিষয় মনে করা হতাে ।

    সংস্কৃত ভাষায় নগরকে পুর ’ বা পূরী এবং নগরের অধিবাসীদেরকে বলা হয় পুরবাসী । এ জন্যই নাগরিক জীবনের অপর নাম ‘ পৌর জীবন এবং নাগরিক জীবন সম্পর্কিত বিদ্যার নাম ‘ পৌরনীতি । ই . এম . হােয়াইট ( E. M. white ) - এর মতে , “ নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল প্রশ্ন সম্পর্কে যে শাস্ত্র আলােচনা করে , তাই । পৌরনীতি । " ( " Civics is the subject that deals with everything appertaining to citizenship . " )

    ই . এম . হােয়াইট তার “ The philosophy of citizenship ” গ্রন্থে বলেছেন যে , “ পৌরনীতি হচ্ছে জ্ঞানের সেই শাখা , যা নাগরিকতার অতীত , বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় , জাতীয় ও মানবতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে আলােচনা করে । " সুতরাং বলা যায় , আধুনিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের আচরণ , কার্যাবলি এবং তাদের বিভিন্ন আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারাবাহিক পর্যালােচনার মাধ্যমে যে শাস্ত্র আদর্শ নাগরিক জীবনের ইঙ্গিত দান করে , তাই হলাে সিভিক্স বা পৌরনীতি ' ।

    Good Governance বা সুশাসন সম্পর্কে আলােচনার আগে জানা প্রযােজন শাসনের ব্যবস্থা বা Governance বলতে কী বােঝায় । গভর্নেন্স একটি বহুমাত্রিক ধারণা যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ , ক্ষেত্র এবং প্রেক্ষাপট থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে । এ কারণে তাত্বিকদের মধ্যে গভর্নেন্স বিষয়ে সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রেও পার্থক্য লক্ষ করা যায় । গভর্নেন্সকে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় শাসনের ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয়ে থাকে ।

    ল্যান্ডেল মিলস এবং সেরাজেন্ডিন ( Landell Mills and seragedino ) মতে , জনগণ কীভাবে শাসিত হয় , কীভাবে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি পরিচালিত হয় , কীভাবে দেশের রাজনীতি আবর্তিত হয় এবং একই সাথে এ সকল প্রক্রিয়া কীভাবে লােকপ্রশাসন ও আইনের সাথে সম্পর্কিত সে বিষয়কেই গভর্নেন্স বলে ।

    গভর্নেন্স প্রপঞ্চটির সাথে সু প্রত্যয় যােগ করে সুশাসন ' ( Good Governance ) শব্দটির প্রকাশ ঘটানাে হয়েছে । এর ফলে গভর্নেন্স ' - এর নরমেটিভ উপাদানের প্রকাশ ঘটেছে । এর ফলে সুশাসনের অর্থ দাড়িয়েছে নির্ভুল , দক্ষ ও কার্যকরী শাসন । 
    সুশাসনকে একক কোনাে ধারণার মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত বা বিশ্লেষণ করা যায় না । কেননা সুশাসনের ধারণাটি হলাে ধারণাটির সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন । সুশাসন ধারণাটি বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা । একটি উন্নয়ন সহযােগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে সুশাসন ধারণাটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তােলে ।

    মারটিন মিনােগের মতে , " বৃহৎ অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতিপয় উদ্যোগের সমাহার ও একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে আরাে বেশি গণতান্ত্রিক , মুক্তমনা , স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় করে তােলে ।

    জল সুশাসন সম্পর্কে একটি সুন্দর ও গ্রহণযােগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন ম্যাককরনী ( MacCorney ) । তার মতে সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের , সরকারের সাথে শাসিত জনগণের , শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায় ।

    অতএব বলা যায় , প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা ( Accountability ) , ( Legitimacy ) , ( Transparency ) থাকে , এতে যদি অংশগ্রহণের সুযােগ উন্মুক্ত থাকে , বাক স্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা , বিচার বিভাগের স্বাধীনতা , আইনের অনুশাসন , আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা থাকে তাহলে সে শাসনকে সুশাসন বলে ।

    পৌরনীতি ও সুশাসন এর পরিধিঃ 
    পৌরনীতি মূলত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান । নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যাবলিই পৌরনীতির মুখ্য আলােচ্য বিষয় । পৌরনীতির সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে , নাগরিকের জীবন ও কার্যাবলি যতদূর বিস্তৃত , অর্থাৎ যা কিছু নাগরিক জীবনকে স্পর্শ করে , পৌরনীতির বিষয়বস্তু ও পরিধি ততদূর প্রসারিত । পৌরনীতি ছাড়া সুশাসন কে কল্পনা করা যায় না । তাই যতদুর পৌরনীতর পরিধি বিস্তৃত সুশাসনের পরিধিও তত ব্যাপক ।পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ও বিষয়বস্তু নিম্নের চিত্রের সাহায্যে দেখানাে হলােঃ

    সুশাসনের বৈশিষ্ট্যঃ 
    জি , বিলনে ( G. Bilney ) , 0CED এবং UNDP সুশাসনের বেশ কিছু আদর্শ ও কার্যকরী বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লে করেছে , এগুলাে নিম্নরূপঃ 

    ১ : অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া ( Participatory Process ) : অংশগ্রহণ বলতে রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নে জনগণের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনকে বােঝায় ।

    ২.নৈতিক মূল্যবােধ ( Ethics or moral values ): আইন অপেক্ষা নৈতিকতার সীমানা অনেক বেশি প্রসারিত । নৈতিক মূল্যবােধ দ্বারা শাসন কাজ করা হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নকারী ব্যক্তিবর্গের নৈতিক চরিত্রের প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । পরিচালনা ব্যক্তিবর্গের নৈতিক চরিত্রের প্রশ্নটি অত্যন্ত। 

    ৩. স্বচ্ছতা ( Transparency ) : স্বচ্ছতার অর্থ পরিষ্কার , স্পষ্ট । দ্বৈত অর্থবােধতার অনুপস্থিতিই হলাে স্বচ্ছতা । শাসন ব্যবস্থার আইন কানুন , নীতি বা সিদ্ধান্ত যদি স্পষ্ট , পরিষ্কার বা স্বচ্ছ হয় , | যদি এর একাধিক অর্থ বা ব্যাখ্যা করার সুযােগ না থাকে তাহলে তা সহজেই জনগণের বােধগম্য হয় । শাসক শাসিতের মধ্যে , সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও তা পালনকারীর মধ্যে ভুল বােঝাবুঝির সুযােগ থাকে না । নীতি বা সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয় । তবে স্বচ্ছতার জন্য চাই দায়িত্বশীলতা এবং দুনীতি দূর বা প্রতিরােধ করা ।

    ৪.বৈধতা ( Legitimacy ) : সরকারের বৈধতা , সরকারের গৃহীত নীতি বা সিদ্ধান্তের বৈধতা , প্রণীত আইনের বৈধতা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আবশ্যকীয় উপাদান । এজন্যই | অনির্বাচিত , অগণতান্ত্রিক , স্বেচ্ছাচারী বা সামরিক শাসনকে । কেউ সুশাসন বলে না । কেননা তারা বৈধ শাসক নয় , তাদের গৃহীত নীতি বা সিদ্ধান্ত , প্রণীত আইন বা সামরিক বিধির বৈধতা থাকে না । বৈধতাকে তাই সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বলা হয় ।

    ৫. দায়িত্বশীলতা ( Responsibility ) : সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলাে দায়িত্বশীলতা । এর অর্থ হলাে সরকার ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার কর্মকাণ্ডের দায়িত্বশীলতা । সরকারের শাসন বিভাগ তাদের নীতি - সিদ্ধান্ত ও কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে । এভাবে পরােক্ষভাবে শাসন কর্তৃপক্ষ জনগণের নিকটই দায়ী থাকে । কেননা আইন বিভাগের সদস্যগণ জনগণেরই নির্বাচিত প্রতিনিধি ।

    ৬. আইনের শাসন ( Rule of Law ) : সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন আইনের শাসন বিদ্যমান থাকে । আইনের শাসনের মূলকথাই হলাে- ( ক ) আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান , ( খ ) সকলেরই আইনের আশ্রয় লাভের সুযােগ , ( গ ) শুনানী ব্যতীত কারাে বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা । আইন হতে সুনির্দিষ্ট স্পষ্ট ও সহজবােধ্য । হবে ।

    ৭. স্বাধীন বিচার বিভাগ ( Independent Judiciary ) : fata বিভাগের লক্ষ্য হলাে ন্যায়বিচার নিশ্চিত বা প্রতিষ্ঠা করা । বিচার বিভাগ যদি সরকারের অন্য দুটি বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত , স্বাধীন ও নিরপেক্ষ থাকে , বিচারকগণ যদি সৎ , দক্ষ , নিরপেক্ষ ও উচ্চ নৈতিক গুণাবলির অধিকারী হন , ভয়ভীতি বা প্রলােভনের কাছে নতি স্বীকার না করেন তাহলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় । বিচার বিভাগই আইনের শাসনের প্রকৃত অভিভাবক ও রক্ষকের ভূমিকা পালন করতে পারে । সুতরাং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বলা চলে ।

    পৌরনীতি ও সুশাসনের ক্রমবিকাশঃ 
    মানুষ সামাজিক জীব । স্নেহ ও ভালােবাসার প্রত্যাশী মানুষ সঙ্গপ্রিয়তার জন্যই সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে চায় । সমাজ ছাড়া সে বাস করতে পারে না । সুদূর অতীতে সমাজবদ্ধ মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে কতগুলাে নিয়ম - কানুন , রীতি - নীতি প্রচলিত ছিল । প্রাচীন গ্রিসের নগররাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করত কতগুলাে বিধি - বিধান বা নিয়ম - কানুন । অবশ্য প্রাচীন গ্রিসে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করত শুধু তাদেরকেই বলা হতাে নাগরিক ।
    আর নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে জ্ঞানের যে শাখায় আলােচনা করা হতাে তাকে বলা হতাে পৌরনীতি । সমসাময়িক ভারতবর্ষে নগরকে বলা হতাে পুর ’ বা এবং এর অধিবাসীদের বলা হতাে , বলা হতাে পৌরজীবন । এবং নাগরিক জীবন সম্পর্কিত বিদ্যার নাম ছিল পৌরনীতি ।

    সুদূর অতীত থেকে ধাপে ধাপে ক্রমবিকাশের মাধ্যমে পৌরনীতি আজকের বর্তমান রূপ লাভ করেছে । প্রাচীন গ্রিসের নগররাষ্ট্র আজ আর নেই । আধুনিক রাষ্ট্রগুলাে হলাে জাতি রাষ্ট্র ( Nationstate ) এবং এগুলাে আয়তনে । যেমন বিশাল , এসব জীবন এবং কার্যাবলি বহুমুখী ও জটিল । আধুনিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের এই জটিল আচরণ , নকার্যাবলি এবং তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জ্ঞানের যে শাখা বর্তমানে আলােচনা করে তাই পৌরনীতি ।

    আধুনিক রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলাে জনকল্যাণ । এজন্য আধুনিক অধিকাংশ রাষ্ট্রকেই জনকল্যাণকর রাষ্ট্র ( welfarestate ) বলা হয় । বর্তমান , রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলাে সুশাসন প্রতিষ্ঠা । সুশাসন একদিনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না । সুশাসকের ধারণাও একদিনে গড়ে ওঠেনি , ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি , বিকেন্দ্রীকরণ নীতি , বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ ও দাবি , প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গ , জন অংশগ্রহণের দাবি , আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি , মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের দাবি আজ ধ্বনিত - প্রতিধ্বনিত হচ্ছে । এর ফলে সুশাসন বিষয়টি আজ পৌরনীতিতে গুরুত্বের সাথে আলােচিত হচ্ছে ।

    উপসংহারঃ 
    উপরের আলােচনার প্রেক্ষিতে এ কথা বলা যায় যে , বর্তমানে পৌরনীতির পরিধি ও ধারণা ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে । বর্তমান আর্থ - সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি বিষয় কোনাে না কোনােভাবে পৌরনীতির সাথে সম্পৃক্ত ।


    এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১)



    Tag: এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১),  ২০২১ সালের এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)
    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন