এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১) | ২০২১ সালের এইচএসসি ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)


    ২০২১ সালের এইচএসসি ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)


    শিরোনামঃ অর্থায়নের সূচনা
    সমাধানঃ

    ক অর্থায়ন: 

    অর্থায়নের মূল কাজ হলো তহবিল সংগ্রহ ও তার ব্যবহার , ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়ােগ । আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থের প্রয়োজন । আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্থ ছাড়া সম্পূর্ণ অচল । এ জন্যই অর্থায়নকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের হৃদপিন্ড বলা হয় । একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য কি পরিমাণ মূলধন প্রয়ােজন , কোন কোন উৎস হতে তা সংগ্রহ করার জন্য লাভজনক এবং কোন প্রজেক্ট বা সম্পদে বিনিয়ােগ করলে সবচেয়ে বেশি মুনাফা হবে , সেই সকল বিষয়ের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের যে কার্যাবলী তাকেই অর্থায়ন বলে ।

    সরকারি অর্থায়ন :

    প্রতিবছর সরকার আয় - ব্যয়ের প্রাক্কলিত হিসাব করে বাজেট প্রেস করে । আর সরকারের বার্ষিক আয় কোন কোন উৎস হতে সংগ্রহ করা হবে এবং বার্ষিক ব্যয় কোন কোন খাতে কী পরিমাণে করা হবে তা নির্ধারণ করাকে সরকারি অর্থায়ন বুঝায় । প্রতিটি সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট অর্থ ব্যবস্থাপনা আছে । সরকারি অর্থায়নে প্রথমে ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় এবং সে অনুযায়ী বিভিন্ন উৎস থেকে তহবিল সংগ্রহ করা হয় । সরকারি অর্থায়নে ক্ষেত্রে বিভিন্ন আয়ের ও ব্যয়ের খাত বাজেটের মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে উলেস্নখ করা হয় । সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য হলো সমাজকল্যাণ । 

    তাই রাস্ত ঘাট , সেতু , সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , সরকারি হাসপাতাল , আইন শৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা , সামাজিক অবকাঠামো ইত্যাদি । ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে আয়কর , সারচার্জ , মূল্য সংযোজন কর , আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক , সঞ্চয়পত্র , প্রাইজবন্ড ও ট্রেজারি বিল বিক্রয় ইত্যাদি বিক্রয় করে অর্থ আয় করতে হয়।

    যৌথ মূলধনী: 

    ব্যবসায়ের অর্থায়ন এক মালিকানা এবং অংশিদারী ব্যবসায়ে মালিক সরাসরি ব্যবসা পরিচালনায় জড়িত । কিন্তু কোম্পানির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা । মালিক তথা শেয়ার মালিক ব্যবসা । পরিচালনায় সরাসরি জড়িত থাকে না । তাই এই অর্থায়নের স্বরূপ সম্পূর্ণ আলাদা । যাকে আমরা কর্পোরেট সংস্কৃতি অনুমােদন পাওয়ার পর একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি তার অনুমােদিত মূলধনকে ছোট ছােট অংশে বিভক্ত করে শেয়ার হিসেবে জনসাধারনের নিকট বিক্রয় করে । যেমন : ১০ কোটি টাকার মূলধন ১০ টাকার ১ কোটি শেয়ারে বিভক্ত করে সাধারণ জনগণের কাছে বিক্রয় করা হয় । প্রতিটি শেয়ারের মূল্য মাত্র ১০ টাকা হওয়ার কারণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাও কোম্পানির শেয়ার কেনার মাধ্যমে উক্ত কোম্পানিতে বিনিয়ােগ করতে পারে । শেয়ারহােল্ডারগণই কোম্পানির প্রকৃত মালিক এবং সাধারণত শেয়ারকোম্পানি থেকে লভ্যাংশ পেয়ে থাকেন । শেয়ারহােল্ডাররা তাদের ক্রয়কৃত শেয়ার বাজার যেমন : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ , চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি বাজারে ক্রয় - বিক্রয় করতে পারে । শেয়ার ছাড়া বন্ড ও ডিবেঞ্চার বিক্রয় করেও যৌথ মূলধনি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সাধারণ জনগণের নিকট থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে পারে ।

    খ অর্থায়নের কার্যাবলি

    একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামােকে বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করা হয়ে থাকে যেমন- ব্যবস্থাপনা বিভাগ , ক্রয় বিভাগ , বিক্রয় বিভাগ , হিসাব বিভাগ ও অর্থ বিভাগ ইত্যাদি । এসব বিভাগের মাধ্যমে ব্যবসায় সময়ের প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলি পরিচালিত হয় । কিন্তু এসব বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ বিভাগ হলো অর্থ বিভাগ । প্রতিটি বিভাগের সাথে এর যােগাযােগ রয়েছে । 

    নিচে অর্থ বিভাগ তথা অর্থায়নের কার্যাবলি আলোচনা করা হলো : 

    ( ১ ) তহবিল সংগ্রহ : একজন আর্থিক ব্যবস্থাপকের অন্যতম কাজ হলাে কম খরচের সম্ভাব্য উৎসসমুহ চিন্তিত করে সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করা । একটি প্রকল্পে বিনিয়ােগ করার জন্য প্রয়ােজনীয় অর্থের কী পরিমাণ নিজস্ব মূলধন এবং কী পরিমাণ ঋণকৃত মূলধন এর মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে তা নির্ধারণ করা অর্থায়নরে প্রধান কাজ । মালিকের নিজস্ব মূলধন ও ঋণকৃত মূলধনের মিশ্রণকে মূলধন কাঠামো বলা হয় । যে মিশ্রণটির খরচ সবচেয়ে কম সেটাই কাম্য মিশ্রণ । আর এটা নির্ণয় করার অর্থায়নের কাজ । কোম্পানিতে শেয়ার মালিকদের আয় ও ঝুঁকির রক্ষা করে। 

    ( ২ ) মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত : মূলধন বাজেট সিদ্ধান্ত বলতে একটি প্রকল্প চিহ্নিতকরণ , বিশেস্নষণ ও নির্বাচন করাকে বুঝায় । অর্থাৎ মূলধন বাজেটিং বলতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাকে বুঝায় । একটি প্রকল্পের জন্য কি পরিমাণ মূলধন প্রয়োজন , প্রকল্পের কার্যকাল , ঐ প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত আয় , আয়ের অনিশ্চয়তা প্রভৃতি বিষয় বিবেচনা ও মূল্যায়ন করে বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় । তাই দীর্ঘ মেয়াদি অর্থায়নের পূর্বে প্রকল্পের মূলধন বাজেটিং - এর মাধ্যমে আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে নেওয়া অর্থায়নের অন্যতম কাজ ।সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় । তাই দীর্ঘ মেয়াদি অর্থায়নের পূর্বে প্রকল্পের মূলধন বাজেটিং - এর মাধ্যমে আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে নেওয়া অর্থায়নের অন্যতম কাজ ।

    ( ৩ ) স্বল্পমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনা : একটি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী ও চলতি এই দুই ধরনের সম্পদ থাকে । স্থায়ী সম্পত্তি চলতি সম্পত্তিতে সময় করে অর্থ বিনিয়ােগ করতে হয় । এজন্য একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে যে কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হয় । চলতি মূলধনে বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে কোম্পানির মুনাফা অর্জন ক্ষমতা ও তারল্য -এর মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করাই প্রধান কাজ । স্বল্পমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ , মজুদপন্য , প্রাপ্য বিল ইত্যাদির ব্যবস্থাপনাকে বুঝায় । কী পরিমাণ কাঁচামাল ক্রয়ের জন্য অর্থ কোথা হতে সংগ্রহ করা যাবে- এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে চলতি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত বলে । কোন কোম্পানি যদি চলতি মূলধনে অধিক বিনিয়ােগ করে বা মূলধন যদি অব্যবহৃত থাকে , তাহলে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা কমে যাবে । আবার যদি চলতি সম্পত্তিতে আর্থিক বিনিয়ােগের পরিমাণ কমে যায় তাহলে কোম্পানির চলতি দেনা পরিশােধে অসুবিধা হয় ।
    যাতে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা কমে না যায় , আবার দেনা পরিশােধের অপারগতা সংক্রান্ত ঝুঁকির সম্মুখীন হতে না হয় । চলতি মূলধনের প্রধান উপাদান হলো নগদ তহবিল , কাঁচামাল বা উৎপাদিত দ্রব্যের মজুত , বিবিধ দেনাদার , প্রাপ্যবিল ইত্যাদি । ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনকে স্বল্পমেয়াদি বা চলতি মূলধন বলা হয় । চলতি মূলধনের উপাদান হচ্ছে চলতি সম্পত্তি ও চলতি দায় যার মেয়াদ ১ বছর বা তার কম ।

    ( ৪ ) তহবিল / মুনাফা বণ্টন : চলতি ব্যবসায়ে মুনাফা হলে তা মালিকের মাঝে বিতরণ করা হয় । এটিকে লভ্যাংশ বা উরারফবহফ বলে । ব্যবসা প্রসারের জন্য এটি অর্থায়নের একটি উৎস হিসেবে কাজ করে । অর্জিত মুনাফার কি পরিমাণ শেয়ার মালিকদের মধ্যে বন্টন করা হবে এবং কি পরিমাণ কোম্পানিতে রেখে দেওয়া হবে তা ঠিক করে নিতে হয় । তাই যে লভ্যাংশ বন্টন হার কোম্পানির শেয়ার মালিকদের সন্তুষ্ট রেখে এবং ভবিষ্যতের বিনিয়ােগ সুযোগের সদ্ব্যবহারের সংস্থান রেখে শেয়ার মূল্য সর্বাধিক করতে পারে তাই কাম্য লভ্যাংশ বন্টন ' তাছাড়া , কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানের স্থায়ীত্ব এবং বােনাস শেয়ার ও নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ব্যাপারে আর্থিক 

    গ অর্থায়নের নীতিসমূহ :

    নীতিমালা হল কার্যসম্পাদনের কাঠামো । সুতরাং নীতিমালা বলতে এমন কিছু স্টেলিক বিষয়কে বুঝায় যা নির্দিষ্ট কোন কার্য সম্পাদন করার ক্ষেত্রে অনুসরন করা হলে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য অর্জন সহজতর হয় । তাই একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত এবং অর্থায়নের অন্যান্য কাজ সম্পাদনের সময় অর্থায়নের এসব নীতিমালা বিবেচনা করতে হয় । নিয়ে অর্থায়নের কয়েকটি গুরম্নত্বপূর্ণ নীতি সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে : 

    ১ ) অর্থের সময়মূল্য নীতি : এই নীতি সব ধরনের বিনিয়োগের সাথে জড়িত । সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে টাকার মূল্য পরিবর্তন হয় । কারণ আজকের ১০০ টাকা একবছর পরের ১০০ টাকার সমান নয় । কেননা বিনিয়োগের যথার্থ মূল্যায়ন একটি নির্দিষ্ট বাট্টাহার মাধ্যমে অর্থের সময়মূল্য নির্ধারণ করা হয় । একজন আর্থিক ব্যবস্থাপক তখনই একটি বিনিয়ােগ সিদ্ধন্ত গ্রহণ করে যখন উক্ত প্রকল্পের প্রত্যাশিত নগদ প্রবাহের বাট্টকৃত মূল্য প্রাথমিক বিনিয়োগের চেয়ে বেশি হয় । কারণ আপাতদষ্টিতে বটিকরণ ছাড়া নগদ প্রবাহ বেশি মনে হলেও তা প্রকত পক্ষে বিনিয়োগের সময়মূল্য নির্ধারণ করা হয় । একজন আর্থিক ব্যবস্থাপক তখনই একটি বিনিয়ােগ সিদ্ধন্ত গ্রহণ করে যখন উক্ত প্রকল্পের প্রত্যাশিত নগদ প্রবাহের বাট্টিকৃত মূল্য প্রাথমিক বিনিয়ােগের চেয়ে বেশি হয় । কারণ আপাতদৃষ্টিতে বাট্টাকরণ ছাড়া নগদ প্রবাহ বেশি মনে হলেও তা প্রকৃত পক্ষে বিনিয়ােগের চেয়ে বেশি নাও হতে পারে । 

    ২ ) তারল্য ও মুনাফা : আমরা প্রতিনিয়ত শামিল আন্দোনের খবর পত্র পত্রিকায় দেখে থাকে । যেমন ধরমন , বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানা বন্ধ করে নেওয়ার খবর । অর্থাৎ এ প্রতিষ্ঠানটি তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে । তারল্যের বিষয়টি খুব গুরম্নত্বপূর্ণ । কেননা বেশি তারল্য থাকলে খরচ বেড়ে যায় আবার কম হলে ব্যয় নির্বাহ করা যায় না। 

    ৩ ) ঝুঁকি - মুনাফা নীতি : বাস্তবে একজন পাইলট বেতন ও ভাতাদি মিলিয়ে পর্যাপ্ত আর্থিক সুবিধা ভােগ করে । কারণ তার কাজের মধ্যে একটি ঝুঁকি রয়েছে । অর্থাৎ ঝুঁকি গ্রহণের সাথে আয়ের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে । ঝুঁকি ও আয়ের মধ্যে বিপরিত সম্পর্ক বিদ্যমান । বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে একজন আর্থিক ব্যবস্থাপক ঝুকি ও আয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধনপূর্বক বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ কওে থাকে । বিনিয়ােগ হতে প্রত্যাশিত মুনাফা অপেক্ষা প্রকৃত মুনাফা কম হওয়ার সম্ভাবনাকে ঝুঁকি বলা হয় । ঝুঁকির কারণেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে আশানুরূপ মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয় না এবং বিনিয়ােগ ক্ষতির সম্মুখীন হয় । বিনিয়ােগ হতে প্রাপ্ত নগদ অর্থ যদি ব্যয়ের জেয়ে বেশি হয় তাকে মুনাফা বলে । ঝুঁকিমুনাফা নীতি অনুসারে বিনিয়ােগ যত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে প্রত্যাশিত মুনাফার হার ততাে বেশি হবে । কারণ একজন বিনিয়ােগকারী যখন অধিক ঝুঁকি গ্রহণ করে তখন সে অধিক মুনাফা প্রত্যাশা করে । আর্থিক ব্যবস্থাপকের ঝুঁকি ও মুনাফার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে ব্যবসায়ের আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত যাতে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন করা যায়।

    ৪) পাের্টফলিও বৈচিত্রায়নের নীতি : একজন বিনিয়ােগকারী তার সমস্ত অর্থ একটি সম্পদে বিনিয়ােগ না করে একাধিক সম্পদে বিনিয়ােগ করার মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাস করার প্রচেষ্টাকে পাের্টফলিও বৈচিত্রায়নের নীতি বলা হয় । অর্থায়নে একটি বহুল প্রচলিত মতবাদ হচ্ছে সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এ নীতির ভূমিকা অপরিসীম । ধরম্নন , আপনার সব টাকা , মানিব্যাগে রেখেছেন । এটি হারিয়েগেলে পুরাে টাকাই খােয়া যাবে । আর যদি কিছু টাকা মানিব্যাগে , কিছু প্যান্টের পকেটে কিছু সার্টের পকেটে রাখা হলে ম্যানিব্যাগ হারালে গেল পুরো টাকা খােয়া যাবে না । এটাই মূলত : বৈচিত্রায়ন ।

    ( ১ ) মুনাফা সর্বাধিকরণ 
    কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মালিকদের জন্য মুনাফা অর্জন এবং তা সর্বাধিকরণ করা । মুনাফা সর্বাধিকরণের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে একজন আর্থিক ব্যবস্থাপক ঐ ফার্মের বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত , অর্থসংস্থান সিদ্ধান্ত ও লভ্যাংশ সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন করেন। 

    ( ২ ) সম্পদ সর্বাধিকরণ : 
    একটি ফার্মের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং যথাযথ উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐ ফার্মের শেয়ারহােল্ডারদের তথা , ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ বা নীট বর্তমান মূল্য সর্বাধিকরণ । কোম্পানির বা ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐ কোম্পানি তার আর্থিক কর্মকান্ড বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে । এটি মুনাফা সর্বাধিকরণের উদ্দেশ্যের দুর্বলতাগুলি দূর করে সঠিকভাবে সম্পদের পরিমাপ করতে সক্ষম হয় বলে এ উদ্দেশ্যটি একটি সুষ্ঠু ও যুক্তিসঙ্গত উদ্দেশ্য হিসেবে সার্বজনীনভাবে গৃহীত । এটি ফার্মের মুনাফা ছাড়াও অন্যান্য গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর গুরম্নত্ব আরোপ করে । ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য , এর প্রবৃদ্ধি , বিনিয়ােগকারীদের ঝুঁকির পরিমাণ , এর শেয়ার মূল্য , লভ্যাংশ ইত্যাদি দ্বারা এ উদ্দেশ্য প্রভাবিত হয় ।



    এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১)



    Tag: এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর /সমাধান ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র (এসাইনমেন্ট ১),  ২০২১ সালের এইচএসসি ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা এসাইনমেন্ট সমাধান (১ম পত্র)
    Previous Post Next Post

    👇 সকল ক্লাসের এসাইনমেন্ট নোটিফিকেশন আকারে সহজে পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের এপ্লিকেশন 

    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন