Class 8 Islam And Moral Education Assignment Answer 2021 (7th Week) | ৮ম-অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১

Class 8 Islam And Moral Education Assignment Answer 2021 (7th Week) | ৮ম-অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১
       
       
       

    Class 8 Islam And Moral Education Assignment Answer 2021 (7th Week) 

    তোমার চাচা প্রতি বছরেই একটি নির্ধারিত সময়ে হার অর্থের হিসাব - নিকাশ করেন । এ বছর হিসাব করে তিনি দেখতে পান যে , তার নগদ উদ্বৃত্তের পরিমাণ চার লক্ষ টাকা । তিনি শরিয়তের বিধান এতে কীভাবে যাকাত প্রদান করবেন তার উপর কর্ম পরিকল্পনা ।

     সংকেত : 

    ১। যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত 

    ২। প্রদেয় যাকাতের পরিমাণ নির্ধারণ 

    ৩। তার এলাকায় যাদেরকে যাকাত দেয়া যায় এর তালিকা ।

    ৪। যাকাত হিসাবে তিনি কী কী দিতে পারে তার তালিকা

    ৮ম-অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১ 

    ১ নং প্রশ্নের উত্তর 

    স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক মুসলমান নর-নারীর কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে কতিপয় শর্তসাপেক্ষে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হয়ে থাকে। শর্তগুলো হলো-

    ১. সম্পদের উপর পূর্ণ মালিকানা

    সম্পদের উপর যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য সম্পদের মালিকানা সুনির্দিষ্ট হওয়া আবশ্যক। অর্থাৎ সম্পদ, মালিকের অধিকারে থাকা, সম্পদের উপর অন্যের অধিকার বা মালিকানা না থাকা এবং নিজের ইচ্ছামতো সম্পদ ভোগ ও ব্যবহার করার পূর্ণ অধিকার থাকা। যেসকল সম্পদের মালিকানা সুসস্পষ্ট নয়, সেসকল সম্পদের কোনো যাকাত নেই, যেমন: সরকারি মালিকানাধীন সম্পদ। অনুরূপভাবে জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য ওয়ক্‌ফকৃত সম্পদের উপরেও যাকাত ধার্য হবে না। তবে ওয়াক্‌ফ যদি কোনো ব্যক্তি বা গোত্রের জন্য হয়, তবে তার উপর যাকাত দিতে হবে।

    ২. সম্পদ উৎপাদনক্ষম হওয়া

    যাকাতের জন্য সম্পদকে অবশ্যই উৎপাদনক্ষম, প্রবৃদ্ধিশীল হতে হবে, অর্থাৎ সম্পদ বৃদ্ধি পাবার যোগ্যতাই যথেষ্ট। যেমন: গরু, মহিষ, ব্যবসায়ের মাল, নগদ অর্থ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ক্রীত যন্ত্রপাতি ইত্যাদি মালামাল বর্ধনশীল। অর্থাৎ যে সকল মালামাল নিজের প্রবৃদ্ধি সাধনে সক্ষম নয়, সেসবের উপর যাকাত ধার্য হবে না, যেমন: ব্যক্তিগত ব্যবহারের মালামাল, চলাচলের বাহন ইত্যাদি।

    ৩. নিসাব পরিমাণ সম্পদ

    যাকাত ফরয হওয়ার তৃতীয় শর্ত হচ্ছে শরীয়ত নির্ধারিত পরিমান বা তার থেকে বেশী সম্পদ থাকা। সাধারণ ৫২.৫ তোলা রূপা বা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা উভয়টি মিলে ৫২.৫ তোলা রূপার সমমূল্যের সম্পদ থাকলে সে সম্পদের যাকাত দিতে হয়। বিভিন্ন পশুর ক্ষেত্রে এই পরিমাণ বিভিন্ন।

    ৪. মৌলিক প্রয়োজনাতিরিক্ত সম্পদ থাকা

    সারা বছরের মৌলিক প্রয়োজন মিটিয়ে যে সম্পদ উদ্ধৃত থাকবে, শুধুমাত্র তার উপরই যাকাত ফরয হবে। এপ্রসঙ্গে আল-কুরআনে উল্লেখ রয়েছে:

    লোকজন আপনার নিকট (মুহাম্মদের [স.] নিকট) জানতে চায়, তারা আল্লাহর পথে কী ব্যয় করবে? বলুন, যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত। আল্লাহ এভাবেই তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট বিধান বলে দেন। (সূরা বাকারাহ, আয়াত নং-২১৯)

    সাহাবী ইবনে আব্বাস [রা.] বলেছেন:

    অতিরিক্ত বলতে পরিবারের ব্যয় বহনের পর যা অতিরিক্ত বা অবশিষ্ট থাকে তাকে বুঝায়।

    জনাব ইউসুফ আল কারযাভী'র মতে স্ত্রী, পুত্র, পরিজন, ও পিতামাতা এবং নিকটাত্মীয়দের ভরণ-পোষণও মৌলিক প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত।

    ৫. ঋণমুক্ততা

    নিসাব পরিমাণ সম্পদ হলেও ব্যক্তির ঋণমুক্ততা, যাকাত ওয়াজিব হওয়ার অন্যতম শর্ত। যদি সম্পদের মালিক এত পরিমাণ ঋণগ্রস্থ হন যা, নিসাব পরিমাণ সম্পদও মিটাতে অক্ষম বা নিসাব পরিমাণ সম্পদ তার চেয়ে কম হয়, তার উপর যাকাত ফরয হবে না। ঋণ পরিশোধের পর নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলেই কেবল যাকাত ওয়াজিব হয়। তবে এক্ষেত্রে দ্বিতীয় মতটি হলো: যে ঋণ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয় সে ঋণের ক্ষেত্রে যেবছর যে পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করতে হয়, সেবছর সে পরিমাণ ঋণ বাদ দিয়ে বাকিটুকুর উপর যাকাত দিতে হয়। কিন্তু ঋণ বাবদ যাকাত অব্যাহতি নেয়ার পর অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় সে সম্পদের উপর যাকাত দিতে হবে।

    ৬. সম্পদ এক বছর আয়ত্বাধীন থাকা

    নিসাব পরিমাণ স্বীয় সম্পদ ১ বছর নিজ আয়ত্বাধীন থাকাই যাকাত ওয়াজিব হওয়ার পূর্বশর্ত। তবে কৃষিজাত ফসল, খনিজ সম্পদ ইত্যাদির যাকাত (উশর) প্রতিবার ফসল তোলার সময়ই দিতে হবে। ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ও কোম্পানীর ক্ষেত্রে বছর শেষে উদ্ধৃত্বপত্রে (Balance Sheet) বর্ণিত সম্পদ ও দায়-দেনা অনুসারে যাকাতের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

    ২ নং প্রশ্নের উত্তর 

    নিসাব ' আরবি শব্দ । এর অর্থ নির্ধারিত পরিমাণ । শরিয়তের পরিভাষায় যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের নির্ধারিত পরিমাণকে নিসাব বলে । সারাবছর জীবনযাত্রার প্রয়ােজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর বছর শেষে যার হাতে নিসাব পরিমাণ সম্পদ উদ্বৃত্ত থাকে তাকে বলা হয় সাহিবে নিসাব বা নিসাবের মালিক । আর সাহিবে নিসাবের উপরই যাকাত ফরজ । নিসাবের পরিমাণ হলো , সােনা কমপক্ষে সাড়ে সাত তােলা অথবা রুপা কমপক্ষে সাড়ে বায়ান্ন তােলা অথবা ঐ মূল্যের অর্থ বা সম্পদ । ঐ পরিমাণ সম্পদ কারাে নিকট পূর্ণ এক বছরকাল স্থায়ী থাকলে ঐ সােনা , রুপা বা সম্পদের মূল্যের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত হিসাবে দেওয়া ফরজ । কিন্তু সম্পদ নিসাবের কম থাকলে যাকাত দেওয়া ফরজ নয় । এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সম্পদ নষ্ট হয়ে গেলে যাকাত দিতে হবে না । কারো হাতে যদি বছরের প্রথমে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে , বছরের মাঝে কোনাে কারণে নিসাব হতে কমে যায় এবং বছর শেষে আবার নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে গেলে তাকে যাকাত দিতে হবে ।

    স্ত্রীলােকের ব্যবহার্য সােনা , রুপার অলংকার জীবনের আবশ্যকীয় মৌলিক বস্তুর অন্তর্ভুক্ত নয় । কাজেই অলংকার | নিসাব পরিমাণ হলে তাকে যাকাত দিতে হবে । সােনা , রুপা ব্যতীত অন্য কোনাে ধাতু যথা : তামা , কাঁসা , পিতল ইত্যাদি ব্যবহার্য জিনিস হিসাবে থাকলে যাকাত দিতে হবে না । তবে ব্যবসায়ের সামগ্রী হলে যাকাত দিতে হবে । এর জন্য শর্ত হচ্ছে এসব সামগ্রী এক বছরকাল হাতে স্থায়ী থাকা এবং নিসাব পরিমাণ হওয়া । 

    উদ্দীপকে উল্লেখিত আমার চাচার নগদ উদ্বৃত্তের পরিমাণ চার লক্ষ টাকা । আমরা জানি , চল্লিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত হিসেবে দেওয়া ফরজ ।

     অর্থাৎ আমার চাচার যাকাত দিতে হবে : ৪,০০,০০০ এর ১/৪০ ভাগ = ১০,০০০ টাকা ।


    ৩ নং প্রশ্নের উত্তর 

     

    যাকাত বন্টনের কিছু নির্দিষ্ট খাত আছে। এই খাতগুলো সরাসরি ক্বোরআন দ্বারা নির্দ্দিষ্ট, এবং যেহেতু তা আল্লাহ'র নির্দেশ, তাই এর বাইরে যাকাত বন্টন করলে যাকাত, ইসলামী শরিয়তসম্মত হয় না। পবিত্র কোরআনে এ ব্যাপারে আল্লাহ খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছেন।

    যাকাত তো শুধু (এক) দরিদ্র, (দুই) অক্ষম, (তিন) যাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মচারী, (চার) যাদের মন জয় করা প্রয়োজন, (পাঁচ) মানুষকে দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্যে, (ছয়) ঋণজর্জরিত অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্যে, (সাত) আল্লাহর পথে (জনকল্যাণমূলক কাজ, ধর্মপ্রচার ও প্রতিষ্ঠার কাজে) এবং (আট) মুসাফিরদের জন্যে ব্যয় করা যাবে। (যাকাতের অর্থ ব্যয়ে) এটাই আল্লাহর বিধান। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সূরা তওবা : ৬০)

    ১. দরিদ্র: এমন মজুর ও শ্রমজীবী যে শারীরিক ও মানসিকভাবে কর্মক্ষম হওয়া সত্ত্বেও প্রতিকূল অবস্থার কারণে বেকার ও উপার্জনহীন হয়ে পড়েছে। ছিন্নমূল মানুষ এবং শরণার্থীরাও এর মধ্যে পড়েন।

    ২. অক্ষম: বার্ধক্য, রোগ, বা পঙ্গুত্ব যাকে উপার্জনের সুযোগ হতে বঞ্চিত করেছে অথবা যে ব্যক্তি উপার্জন দ্বারা তার প্রকৃত প্রয়োজন পূরণ করতে অক্ষম এবং আশ্রয়হীন শিশু প্রমুখ।

    ৩. যাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মচারী: যাকাত আদায় এবং তা বণ্টন করার কাজে যারা সার্বক্ষণিক নিযুক্ত থাকবে তাদের বেতন-ভাতা আদায়কৃত যাকাত থেকে দেয়া হবে।

    ৪. যাদের মন জয় করা প্রয়োজন: ইসলাম প্রচার-কাজ কোথাও প্রতিরোধের সম্মুখীন হলে সে ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা যাবে। সংগতিহীন নও মুসলিমকেও স্বনির্ভর করার কাজে যাকাতের অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৫. মানুষকে দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্যে: দাসমুক্তি বা বন্দিদের মুক্ত করতে যাকাতের সম্পদ ব্যয় করা যাবে। এখানে দাস বা বন্দি বলতে বিখ্যাত তাফসীরকার আল্লামা আসআদের তাফসীরে যারা পরিস্থিতি বা পরিবেশের বন্দি বা শিকার তাদের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ ভূ-লুণ্ঠিত, অপরিচিত, দুর্গম-দূরবর্তী অভাবগ্রস্ত এলাকার দুস্থ-অসহায়দেরও যাকাত দেয়া যাবে।

    ৬. ঋণমুক্তি: যারা নিজেদের দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণ করতে গিয়ে ঋণ করে এবং সে ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে পড়েছে, তাদেরকে যাকাতের সম্পদ হতে সাহায্য করা যাবে। যাদের বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়ে গেছে, বন্যা-প্লাবনে মাল-আসবাব ভেসে গেছে, তাদের পরিবার-পরিজনের ভরণ-পোষণে যাকাতের সম্পদ দেয়া যাবে।

    ৭. আল্লাহর পথে: যাকাতের ৭ম খাত হলো 'ফি সাবী লিল্লাহ' (আল্লাহর পথে)। ইসলামি চিন্তাবিদগণের সম্মিলিত মত হলো : আল্লাহ নির্দেশিত পথে প্রতিটি জনকল্যাণকর কাজে, দ্বীন ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে যত কাজ করা সম্ভব সে সব ক্ষেত্রেই এ অর্থ ব্যয় করা যাবে।

    ৮. মুসাফির: যাকাতের ৮ম খাত হলো 'ইবনুস সাবীল' (নিঃস্ব পথিকদের জন্যে)। যেসব পথিক বা মুসাফির যাত্রাপথে নি:সম্বল হয়ে পড়েছে, তাদেরকে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে।

    অনেকে যাকাতের অর্থে শাড়ি ক্রয় করে তা বন্টন করে থাকেন। এভাবে যাকাত আদায় হয়ে গেলেও এভাবে আসলে প্রকৃতপক্ষে যাকাত গ্রহণকারীর তেমন উপকার হয় না। যাকাত বন্টনের উত্তম পন্থা হলো: যাকাত যাদেরকে প্রদান করা যায়, তাদের একজনকে বা একটি পরিবারকে যাকাতের সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে স্বাবলম্বী করে দেয়া। তবে প্রদেয় অর্থ নিসাব পরিমান থেকে কম হতে হবে।

    ৪ নং প্রশ্নের উত্তর 

    যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী - দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয় । তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক সমতার ক্ষেত্র প্রস্তুত হয় । আল্লাহর নির্দেশমতাে যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনাে লােব অন্নহীন , বস্ত্রহীন , গৃহহীন থাকবে না । কেউ না খেয়ে থাকবে না । কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না ।

    সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাকাত ও সাদাকার ( দানের ) অর্থে অভাবীদের প্রয়ােজন মিটিয়েও অনেক জনহিতকর এবং কল্যাণমূলক কাজ করা যায় । বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তােলা যায় । স্বাস্থ্যবান দরিদ্র শ্রমিককে তার শ্রমের উপযােগী উপকরণ দেওয়া সম্ভব হয় । দরিদ্রের জন্য সেবামূলক অনেক প্রতিষ্ঠান যেমন ইয়াতিমখানা , দাতব্য চিকিৎসালয় প্রভৃতি স্থাপন করা যায় । এমনিভাবে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালালে এমন এক সময় আসবে যখন যাকাত গ্রহণ করার লােক খুঁজে পাওয়া যাবে না । ইসলামের প্রথম যুগে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে অপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছিল । দৃষ্টান্তস্বরূপ খলিফা হযরত উমর ইবনে আব্দুল আজিজ ( র . ) - এর যুগের কথা উল্লেখ করা যায় । ইসলামি যাকাত ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে , তাঁর যুগে যাকাত নেওয়ার মতাে লােক খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ছিল । ইসলামি যাকাত ব্যবস্থা গােটা সমাজকে কৃপণতা , সংকীর্ণতা , স্বার্থপরতা , হিংসা , বিদ্বেষ প্রভৃতি বদভ্যাস থেকে পবিত্র রাখে এবং পরস্পরের মধ্যে ভালােবাসা , ত্যাগ , মমত্ববােধ ইত্যাদি গুণ আরও সুদৃঢ় করে।


    Tag:Class 8 Islam And Moral Education Assignment Answer 2021 (7th Week),৮ম-অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১ 

    Previous Post Next Post