এইচএসসি ব্যাচ ২০২০-এইচএসসি পাশাপাশি এডমিশন রুটিন ২০২০| এইচএসসি বাড়ির পড়ার রুটিন ২০২০

এইচএসসি ব্যাচ ২০২০-এইচএসসি পাশাপাশি এডমিশন রুটিন ২০২০| এইচএসসি বাড়ির পড়ার রুটিন ২০২০  

এইচএসসি ব্যাচ ২০২০-এইচএসসি পাশাপাশি এডমিশন রুটিন ২০২০

📰MISSON to HSC & ADMISSION

📆 এইচএসসি পাশাপাশি এডমিশন রুটিন

🚻গ্রুপ: সব বিভাগের জন্য (মানবিক,বাণিজ্য, বিজ্ঞান)

⭕ রুটিন:

🌄সকাল ৭.০০-৭.৩০ (ফ্রেশ, পড়ার প্রস্তুতি গ্রহণ, কি পড়বা ঠিক করা )

💠সকাল ৭.৩০-৯.৩০ (পড়া) ২ ঘন্টা

🏝 সকাল ৯.৩০-১০.০০ ( খাওয়া + রেস্ট)

📵বিঃদ্রঃ এই রেস্টের সময় ফোন টিপা যাবে না। ব্রেইনকে রিলেক্স হতে দাও যেন রেস্টের পরের পড়াগুলো সহজেই কেচ করতে পার।

🔘সকাল ১০.০০-১.০০ (পড়া) ৩ ঘন্টা

🏜দুপুর ১.০০-২.১৫ (গোসল,নামাজ,খাওয়া+ প্রানের মোবাইল ফোন😬একটু টিপবা+ রেস্ট করবা)

🏖দুপুর️ ২.১৫-৫.১৫ ( পড়া) ৩ ঘন্টা

🌅 বিকাল ৫.১৫-৭.১৫ (নামাজ,রেস্ট,)
আমি জানি মোবাইল টিপার জন্য তোমার বুক ফেটে যাচ্ছে 💔 ফেসবুকিং করবা কিন্তু উদ্দেশ্য থাকতে হবে এডুকেশনাল গ্রুপ গুলো ভিজিট করার আমার আইডি গ্রুপ থেকে ভিজিট করলেও সাজেশন সহ বিভিন্ন তথ্য পাবা।

🌃 রেস্ট টাইমটা বেশি কারন মনে রাখতে হবে পড়াশোনা যেমন দরকার তেমনি শরীরটার বিশ্রামও প্রয়োজন।

🔯রাত ৭.১৫-৮.৩০ (পড়া) ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট

⚫৮.৩০-৯.৪৫ (নামায, খাওয়া, প্রানের মোবাইল যা একনজর না দেখলে দুনিয়া অন্ধার হয়😁, আর যেই কাজ করতে মন চায়😉)

🚨বিঃদ্রঃ রাতের খাবার আর ঘুমের ব্যবধানটা ২-৩ ঘন্টা হওয়া ভালো। এতে রাতে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। যারা বাড়িতে থেকে গোল-গাপ্পা হয়ে যাচ্ছ, টেনশনে আছো কিভাবে ডাইট করবা, খাওয়া কমালে তো পড়াশোনা করতে সমস্যা হবে। তাড়া অবশ্যই এটি মানবে। এতে রাতে ঘুমালেও তোমার শরীর থেকে ক্যালোরি বার্ন হবে।

⛺রাত ৯.৪৫-১২.০০ (পড়া) ২ ঘন্টা ১৫ মিনিট

📵রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল টিপবা না, কারন রাতে মোবালের আলো চোখের ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।

🛌 ঘুম ১২.০০-৭.০০ ( ঘুম+ ফজরের নামাজ)

যত তাড়াতাড়ি পারো ঘুমিয়ে পড়বা। ১২ টার মধ্যেই ঘুমাতে যাবা কারন তোমাকে সকালে লেট করে উঠলে চলবে না।

★ পড়ার Duration কমবেশি তোমার ইচ্ছা । তবে মনে রাখবা যতটুকু সময় পড়বা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়বা।

🎰 প্রতিদিন একনজর সবগুলো সূত্রগুলো দেখে নিবা। কারন এই সূত্র ভুলে গেলে জানা উত্তরও করতে পারবা না।

⌨ যাদের ক্যালকুলেটর এর ব্যবহার আছে তারা ক্যালকুলেটরের সর্টকাটগুলো শিখে নিবা এবং দ্রুত ক্যালকুলেটর টাইপ করার অভ্যাস গড়ে তুলবা।

📝যারা দ্রুত লিখতে পারো না তারা দ্রুত লিখার অভ্যাস গড়ে তুলো এই সময়টিতে যাদের হাতের লিখা অসুন্দর তারা ভালো করার চেষ্টা করে যাও।

✒প্রতিদিন যা পড়বা তা লিখার অভ্যাস করবা দেখবা মনে থাকবে বেশি পাশাপাশি হাতের লিখা সুন্দর এবং দ্রুত হাতের লেখার অভ্যাসও হয়ে যাবে।

📝প্রতিটা টপিকের ব্যাসিকটা ক্লেয়ার রাখবা। বই রিভাইস করার সময় আগে যেইসব লাইন দাগিয়ে রেখেছিলা সেইগুলো বেশি ফোকাস করবা, যদি এখনও দাগানো না থাকে তবে পড়ার সময় দাগিয়ে রাখবে যেন পরবর্তীতে ঐ লাইনগুলো চোখ বুলালে হয়ে যায় ।

🚵 যেহেতু করোনার কারনে তোমাদের পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে, কবে নাগাত পরীক্ষা হবে তাও সঠিকভাবে বলা সম্ভব না। তাই প্রতিদিন HSC পড়াশোনার পাশাপাশি এডমিশনের জন্য অন্তত ২-৩ ঘন্টা করে সময় দিবে।

🏔যে যেই ভার্সিটি/মেডিকেল/ইঞ্জিনিয়ারিং টার্গেট রেখেছো সেটির প্রশ্নব্যাংক কিনে সলভ করা শুরু করে দাও। প্রশ্নব্যাংক সলভ করার সময় দেখবে প্রশ্নটি বইয়ের কোন জায়গা/টপিক থেকে হয়েছে সেইটি ভালোভাবে পড়ে নিবা। দেখবা এডমিশনের সময় অন্যদের তুলনায় অনেক এগিয়ে গেছ।

ইংরেজির জন্য English for competitive exam এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য mp3 অথবা Jubayer Gk টা পড়তে পারো।

✅সকালে পড়ার এনার্জি বেশি থাকে তাই এসময় ম্যাথমেটিকাল টাইপের পড়া গুলো পড়বা।

💁আমি মনে করি এই রুটিন দ্বারা পড়াশোনা, ইবাদাত, রেস্ট, তোমার ব্যাক্তিগত রিফ্রেশমেন্ট, এডমিশন প্রিপারেশন, ঘুম সব কিছুরি পর্যাপ্ত সময়ের কথা বিবেচনা করেই করা হয়েছে।


ব্যাক্তিগত মতামত :
দুনিয়ার পড়ালেখা করতে গিয়ে আখিরাত কে অবহেলা করোনা তাছাড়াও আল্লাহতালা চাইলে তিনি তোমাকে সর্বোচ্চ শিখরে পৌছে দিতে পারেন। তিনি না চাইলে কিছুই সম্ভব নয়।আর নামায পড়লে মন ভাল থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে। আল্লাহতালার অশেষ নিয়ামত বর্ষিত হবে তোমার ওপর। তাই অবশ্যই অবশ্যই যার যার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবা।

🦠আর যেহেতু করোনার মহামারি দিন দিন বেড়েই চলছে। সুতরাং সাবধানে থাকবে। অবশ্যই বাসায় থাকবা এবং IEDCR, WHO ইত্যাদি যেসব সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে সেগুলো মেনে চলবা। প্রতিদিন লং,আদার চা এবং লেবু খাবারের তালিকায় রাখতে পারো। বিশেষজ্ঞদের মতে যার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি সেই এই ভাইরিসের দ্বারা আক্রান্ত কম হচ্ছে। হলেও সুস্থ হয়ে উঠছে। তাই পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাবা। করোনার কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি বিধায় আমাদের সচেতনতাই পারে তা প্রতিরোধ করতে।

রুটিন লিখেছেন Mohiuddin Ahmed Shoron
তোমাদের জন্য রইল অনেক অনেক শুভ কামনা ।

রুটিন কেমন মনে হয়েছে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post